পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: গত কয়েক মাসে ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্র-সহ একাধিক রাজ্যে আত্মসমর্পণ করেছেন কয়েকশো মাওবাদী। দেশ থেকপ মাওবাদ নির্মূল করতে ছত্তিশগড়-সহ একাধিক মাও অধ্যুষিত রাজ্যগুলিতে লাগাতার অভিযান চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। নিহত হয়েছেন বহু মাওবাদী নেতা। অত্মসমর্পণও করেছেন অনেকে। এপর্যন্ত কতজন মাও নেতা নিহত হয়েছে! সেই তথ্য জানাল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। মঙ্গলবার সংসদে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই জানিয়েছেন, ২০১৯ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত মোট ২৯ জন শীর্ষস্তরের মাওবাদী নেতাকে খতম করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। তাদের মধ্যে চলতি বছরে নিহত হয়েছেন ১৪ জন। তারা মাওবাদী কেন্দ্রীয় কমিটি ও পলিটব্যুরোর সদস্য।
গত কয়েকমাসে বহু মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছে। কিছুদিন আগেই ছত্তিসগড়ে আত্মসমর্পণ করেন ৩৭ জন মাওবাদী সদস্য। এই আত্মসমর্পণকারীদের মাওবাদী সদস্যদের মধ্যে ২৭ জনের মাথার মোট দাম ছিল ৬৫ লক্ষ টাকা বলেও জানিয়েছিল পুলিশ। নিরাপত্তাবাহিনী ও পুলিশ কর্তাদের উপস্থিতিতে এদিন আত্মসমর্পণ করেন ১২ জন মহিলা-সহ ৩৭ জন মাওবাদী। আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অনিতা মাণ্ডবী ওরফে কুমালি, লক্ষ্মী মড়কম ওরফে গীতা, সোমা মাণ্ডবী ওরফে রঞ্জন এবং জাহাজ কালমু। এদের প্রত্যেকের মাথার দাম ছিল ৮ লক্ষ টাকা করে। প্রসঙ্গত, মাওবাদীদের একেবারে নির্মূল করতে বদ্ধ পরিকর কেন্দ্র। আগামী বছরের মার্চ মাসের মধ্যেই মাওবাদী নির্মূল করে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। মাওবাদীদের বিরুদ্ধে লাগাতার অভিযানে কোণঠাসা মাওবাদীরা।
এদিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী বলেন, “২০১৮ সালে দেশে মাওবাদী উপদ্রুত জেলার সংখ্যা ছিল ১২৬টি। ২০২১ সালে সংখ্যাটি হয় ৯০। ২০২৪ সালের এপ্রিলে ৭০টি, ২০২৫ সালের এপ্রিলে ৩৮টি এবং ২০২৫ সালের অক্টোবরে তা ১১টিতে নেমে এসেছে।” নিত্যানন্দের কথায়, মাওবাদী সহিংসতা বর্তমানে ৮৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।



























