পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ ধনকুবের এলন মাস্ক, যিনি পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি। এলন মাস্কের পারিশ্রমিক হল ১৫৮.৪ বিলিয়ন ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১৪.৯৫ লক্ষ কোটি টাকা। আর তাঁর পরেই পৃথিবীর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেতন পান এমন একজন ব্যক্তি যা জানার পর অবাক হয়ে যাবেন। এই ব্যক্তি আর কেউ নন, তিনি হলেন একজন বাঙালি। তাঁর নাম হল শঙ্খ মিত্র। তিনি আবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী। পৃথিবীর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেতনপ্রাপ্ত এই বাঙালির বার্ষিক আয় হল ৭ হাজার ৭৪৪ কোটি টাকা।
সম্প্রতি আমেরিকার দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল পৃথিবীর সবচেয়ে পরিশ্রমী ব্যক্তিদের একটি তালিকা প্রস্কাহ করেছে। সেখানে দ্বিতীয় স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন এই বাঙালি।ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এই তালিকায় প্রথম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন এলন মাস্ক। আর তারপরেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন শঙ্খ মিত্র। এই বাঙালি বর্তমানে আমেরিকার প্রথম সারির রিয়েল এস্টেট নভেস্টমেন্ট সংস্থা ওয়েলটাওয়ারের চিফ এগজিকিউটিভ এবং চিফ ইনভেস্টমেন্ট অফিসার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। গতবছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে তাঁর বার্ষিক পারিশ্রমিক ছিল ৮২১ মিলিয়ন ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় দেখলে এর পরিমাণ হল ৭ হাজার ৭৪৪ কোটি টাকা।
আরও পড়ুন:
জানা যাচ্ছে, এই সংস্থার পারিশ্রমিক শুধুমাত্র নগদ হিসেবেই নয়, দেওয়া শেয়ারের আকারেও। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই সংস্থায় তাঁর শেয়ারের মূল্য ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি। তিনি যদি ২০৩১ সাল পর্যন্ত এই সংস্থায় থাকীন তাহলে এই শেয়ারের অর্ধেক তিনি হাতে পেয়ে যাবেন। তারফলে তাঁর সম্পদ আরও বেড়ে যাবে। উল্লেখ্য, জন্মসূত্রে শঙ্খ ভারতেই বেড়ে উঠেছেন। ছোটোবেলায় থেকেছেন কলকাতা শহরে। তিনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যাচেলর অফ ইঞ্জিনিয়ারিং ইন ইনস্ট্রুমেন্ট অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন।
এরপর উচ্চশিক্ষা লাভে তিনি চলে যান আমেরিকায়। কলম্বিয়া বিজনেস স্কুল থেকে এমবিএ পাশ করার পর শঙ্খ প্রাইস ওয়াটারহাউস কুপার্সের হাত ধরে কেরিয়ার শুরু করেন। পরে তিনি ইনভেস্ট ম্যানেজমেন্টের ময়দানে নামেন। ফিডেলিটি ইনভেস্টমেন্টস, সিটাডেল ইনভেস্টমেন্ট গ্রুপ ও মিলেনিয়াম ম্যানেজমেন্টের মতো একাধিক উচ্চপদে কর্মরত ছিলেন শঙ্খ। ২০১৬ সালে তিনি ওয়েলটাওয়ারে ফাইনান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সেক্টরে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে যোগ দেন। ২০২০ সালের ৫ অক্টোবর তিনি সংস্থার সিইও হন। এরপর বোর্ড অফ ডিরেক্টর্স পদে বসেন তিনি।