পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: সোমবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জে পি নাড্ডার সঙ্গে ককরোচ জনতা পার্টির বা সিজেপির প্রতিনিধি দলের বৈঠকের পর, আন্দোলনকারীদের অবস্থান বিক্ষোভ তুলে নেওয়ার আর্জি জানাল কেন্দ্রীয় সরকার। দিল্লি পুলিশের অনুমতি না থাকা এবং ১৬৩ ধারা জারি থাকা সত্ত্বেও সোমবার সকালে সংসদ অভিযানে নামে সিজেপি। পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে মিছিল আটকানোর চেষ্টা করলে সংঘর্ষ বেঁধে যায় এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে, যার জেরে রাজধানী দিল্লি কার্যত রণক্ষেত্রের রূপ নেয়। এই উত্তপ্ত আবহের মধ্যেই বেলা পৌনে বারোটা নাগাদ সিজেপি-র মুখপাত্র সৌরভ দাস এবং নেতা আশুতোষ রঙ্কার সঙ্গে নিজ বাসভবনে সাক্ষাৎ করেন জে পি নাড্ডা।

বৈঠক শেষে জে পি নাড্ডা সোস্যাল মিডিয়ায় জানান যে, আন্দোলনকারীদের অনুরোধেই এক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং তাঁরা একটি দাবি সনদ বা পিটিশন জমা দিয়েছেন। রাজধানীতে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে আন্দোলনকারীদের ধরণা তুলে নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। একই সাথে দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকেও বিক্ষোভকারীদের শান্ত থাকার, সংযম বজায় রাখার এবং কোনো ধরনের গুজব বা ভুল তথ্য না ছড়ানোর বিশেষ আবেদন জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে সিজেপি-র পক্ষ থেকে যে তিন দফা মূল দাবি তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলি হলো— সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের অবিলম্বে মুক্তি, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং নিট বিতর্কের জেরে আত্মহত্যা করা সমস্ত পরীক্ষার্থীর পরিবারের জন্য ১ কোটি টাকা করে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া। মন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন যে, তিনি এই দাবিগুলি নিয়ে সরকারের নির্দিষ্ট স্তরে আলোচনা করবেন।