বিশ্বকাপে শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে ব্যস্ত ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ঠিক এমন সময় মাঠের বাইরের একটি বিতর্কে আলোচনায় এসেছে দেশটির ফুটবল পরিচালনাকারী সংস্থা আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। যুক্তরাষ্ট্রে এএফএর ব্যবসায়িক কার্যক্রম ঘিরে মানি লন্ডারিং ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে মার্কিন ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) এবং দেশটির ফেডারেল কৌঁসুলিরা।
আরও পড়ুন:
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালিত এএফএর বাণিজ্যিক কার্যক্রম এবং কয়েকশ মিলিয়ন ডলারের আর্থিক লেনদেন তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।
তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, এসব লেনদেনে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ও বাণিজ্যিক আইন লঙ্ঘিত হয়েছে কি না।আরও পড়ুন:
কার্লোস তাপিয়ার নেতৃত্বে এএফএ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আন্তর্জাতিক ফুটবলে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। তবে তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে সম্পাদিত বিভিন্ন বাণিজ্যিক চুক্তি, স্পনসরশিপ এবং আর্থিক লেনদেন। আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম লা নাসিওন জানিয়েছে, তদন্তকারীরা এসব চুক্তির নথিপত্র ও অর্থপ্রবাহ বিশ্লেষণ করছেন।
আরও পড়ুন:
এর আগেও আর্জেন্টিনার ফুটবলে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছিল। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে একটি পৃথক মানি লন্ডারিং ও কর ফাঁকির তদন্তে এএফএর সদর দপ্তরসহ দেশটির কয়েকটি ক্লাবে অভিযান চালায় আর্জেন্টিনার কর্তৃপক্ষ।
আরও পড়ুন:
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি আর্থিক লেনদেন বর্তমানে তদন্তের আওতায় রয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক স্পনসরশিপ, সম্প্রচার স্বত্ব এবং সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ইতোমধ্যে কয়েকজন সাক্ষীর বক্তব্যও গ্রহণ করেছেন তদন্তকারীরা।আরও পড়ুন:
তবে এখন পর্যন্ত এএফএর বিরুদ্ধে কোনো আনুষ্ঠানিক ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। তদন্ত চলমান থাকলেও এর কোনো প্রভাব আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ অংশগ্রহণে পড়েনি। লিওনেল মেসির নেতৃত্বাধীন দলটি এখনও টুর্নামেন্টের অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ নকআউট পর্বের মাঝেই এই তদন্ত সামনে আসায় বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। যদিও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগের সত্যতা বা সম্ভাব্য আইনি পরিণতি সম্পর্কে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।