উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়: বারুইপুর গণপিটুনি কান্ডে গ্রেফতার আরও দুই,মোট সাত জন। এদিকে আবার বারুইপুর ধর্ষণ কাণ্ডে তদন্ত কারী অফিসার বদলে গেল,নতুন দায়িত্ব গেল ডিএসপি পদমর্যাদার অফিসার শান্তনু মুখোপাধ্যায়ের হাতে।শনিবার নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে আরও একবার সুবিচারের আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।এই নিয়ে দু’বার তদন্তকারী অফিসার বদল করা হল।
আরও পড়ুন:
তদন্তকারী অফিসার বদলের পাশাপাশি, ধর্ষণ ও খুনে যুক্ত থাকা সন্দেহে ‘নির্দোষ’ ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আরও দুজনকে।গনপিটুনি কান্ডে প্রথমে গ্রেফতার করা হয় দুজনকে।
পরে শুক্রবার আর ও তিন জন আর শনিবার আরও দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃত সাতজন হল-ফারুক সরদার,রাজেশ সরদার, শরিফুল মল্লিক,সাবিউদ্দিন বৈদ্য,ফরিদ শেখ, আবু সিদ্দিক সরদার এবং শামিম আলি খান।শামিক আলি খানকে ঘুটিয়ারীশরিফ ফাঁড়ির ওসি তুহিন মন্ডল উওর ২৪ পরগনার দওপুকুর এলাকা থেকে শনিবার রাতে গ্রেফতার করে।ধৃত সাতজনকেই ২০ শে জুলাই পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের থাকার নির্দেশ দিয়েছেন বারুইপুর মহকুমা আদালতের মহামান্য বিচারক।বারুইপুর কাণ্ডের পরই সিট গঠন করা হয়।আরও পড়ুন:
প্রথমে মামলার তদন্তকারী অফিসার ছিলেন জেলা পুলিশ আধিকারিক দিগন্ত মণ্ডল।
তারপর দায়িত্ব যায় আর এক আধিকারিক জয়ন্ত পোদ্দারের হাতে।এবার ডিএসপি পদমর্যাদার অফিসার শান্তনু মুখোপাধ্যায়কে তদন্তভার দেওয়া হল। পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, মামলার জটিলতা, বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখতে, তদন্তে যাতে কোনও ফাঁক না থাকে তার জন্যই এই সিদ্ধান্ত।তদন্তকারী অফিসার বদলের পাশাপাশি, ধর্ষণ ও খুনে যুক্ত থাকা সন্দেহে ‘নির্দোষ’ ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে শামিম আলি খান নামে এক তরুণকে। সিসিটিভি ফুটেজে খতিয়ে দেখে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।আরও পড়ুন:
প্রকাশিত ফুটেজের একটি অংশে দেখা গিয়েছে অভিযুক্ত শামিম রক্তাক্ত ইন্দ্রজিৎকে হাত ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, বারুইপুর ধর্ষণ কাণ্ডের পাশাপাশি ‘নির্দোষ’ প্রসেনজিৎকে পিটিয়ে খুন। পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, রেল লাইন উপড়ে ফেলার ঘটনা এবং পুলিশের এনকাউন্টারে অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের মৃত্যু সব নিয়ে তদন্ত চলছে। এনকাউন্টারের তদন্ত করেছে সিআইডি।ধর্ষণ খুনে গঠিত হয়েছে সিট। পাশাপাশি চলছে ইন্দ্রজিৎকে পিটিয়ে খুনের তদন্তও।এদিকে রবিবার পুলিশ প্রশাসনের উদ্যোগে সূর্যপুর এলাকায় সিসিটিভি লাগানো হচ্ছে নজরদারি বাড়ানোর জন্য।