আরও পড়ুন:
পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ কেউ চাননি এই পথ চলা শেষ হোক, তবুও থামলো গানের ইন্দ্রধনু। ৯০ বছর বয়সে জীবন থেকে ছুটি নিলেন গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। গায়ের রং শ্যামলা ছিল বলে বাবা নাম রেখেছিলেন সন্ধ্যা। অতি শৈশব থেকেই একরত্তি সন্ধ্যার সুর, তালের প্রতি অসম্ভব দখল দেখে, তাঁকে গানের তালিম দেওয়া শুরু হল। পণ্ডিত সন্তোষকুমার বসুর তত্ত্বাবধানে শুরু হল সারেগামাপার সাধনা।
আরও পড়ুন:
তখন খ্যাতির মধ্যগগনে বিরাজ করছেন বড়ে গুলাম আলি খান ( Bade Ghulam Ali Khan) ছোট্ট সন্ধ্যা দাদার কাছে আবদার করলেন তিনি গানের তালিম নেবেন বড়ে গুলাম আলি খান সাহেবের কাছে। দাদা ছোট সন্ধ্যা কে নিয়ে গেলেন আরও এক সঙ্গীত তাপস জ্ঞানপ্রকাশ ঘোষের কাছে। সেখানেই তখন উপস্থিত বড়ে গুলাম আলি খান সাহেব। ছোট্ট মেয়েটির রাগাশ্রয়ী কণ্ঠ মুগ্ধ করল খান সাহেবকে। হাতে লাল সুতো দিয়ে নাড়া বেঁধে দিলেন, খাওয়ালেন ছোলা।
সন্ধ্যা বড়ে গুলাম আলি খান সাহেবকে ডাকলেন বাবা।আরও পড়ুন:
প্রথমে বড়ে গুলাম আলি খান, তারপর তাঁর পুত্র ওস্তাদ মুন্নাওয়ার আলি খান-এর (Ustad Munnawar Ali Khan) কাছ থেকে তিনি ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের তালিম পান। তানপুরা বাঁধতে শেখান বেগম আকতার। । তাঁকে অনেক অনুষ্ঠানে তানপুরায় সঙ্গতও করেছিলেন সন্ধ্যা।
আরও পড়ুন: