পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ ২০১৮ সালে দেশের সাধারণ মানুষের উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় সরকার আয়ুষ্মান ভারত স্বাস্থ্য প্রকল্প চালু করেছিল। তবে সে সময় রাজ্য সরকারের আপত্তির কারণে পশ্চিমবঙ্গে এই প্রকল্প কার্যকর হয়নি। পরিবর্তে রাজ্যের নিজস্ব স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প চালু ছিল।
আরও পড়ুন:
এবার রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের পর নতুন করে আয়ুষ্মান ভারত চালুর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিজেপি সরকার গঠনের পথে থাকায় নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই স্বাস্থ্য প্রকল্প বাংলাতেও চালু হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে কারা কারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন? কীভাবে আবেদন করতে হবে?
তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এবার জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে এই প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করা যাবে, কারা এর সুবিধাভোগী হতে পারবেন এবং কী কী সুবিধা পাওয়া যাবে।আরও পড়ুন:
কারা এই সুবিধা পাবেন?
আরও পড়ুন:
· এই প্রকল্পে মূলত সমাজের আর্থিকভাবে দুর্বল এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন:
· যাঁদের নিজস্ব জমি নেই এবং দিনমজুরির উপর নির্ভর করে সংসার চলে, তাঁরা এই সুবিধার আওতায় আসতে পারেন।
আরও পড়ুন:
· তফশিলি জাতি ও উপজাতিভুক্ত পরিবারগুলিও এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত।
আরও পড়ুন:
· যেসব পরিবার কাঁচা বাড়ি বা মাত্র একটি ঘরে বসবাস করেন, তাঁদেরও যোগ্য বলে বিবেচনা করা হয়।
আরও পড়ুন:
· যেসব পরিবারে ১৬ থেকে ৫৯ বছর বয়সী কোনও উপার্জনক্ষম পুরুষ সদস্য নেই, তারাও এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার যোগ্য। এছাড়া ৭০ বছর বা তার বেশি বয়সী নাগরিকেরা আয় নির্বিশেষে এই প্রকল্পের আওতায় আসতে পারেন।
আরও পড়ুন:
কী কী সুবিধা মিলবে?
আরও পড়ুন:
· যোগ্য পরিবার বছরে সর্বোচ্চ পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসার সুযোগ পাবেন।
আরও পড়ুন:
· তালিকাভুক্ত হাসপাতালে ভর্তি হতে কোনও টাকা সঙ্গে রাখতে হবে না। সম্পূর্ণ নগদহীন ব্যবস্থায় চিকিৎসা করানো যাবে।
আরও পড়ুন:
· অস্ত্রোপচার, বিভিন্ন পরীক্ষা, ওষুধপত্র এবং হাসপাতালে থাকার খরচও এই প্রকল্পের আওতায় থাকবে।
আরও পড়ুন:
· শুধু ভর্তি থাকার সময়ই নয়, হাসপাতালে ভর্তির আগের তিন দিন এবং ছুটি পাওয়ার পরবর্তী পনেরো দিন পর্যন্ত প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও ওষুধের খরচও বহন করা হবে।
আরও পড়ুন:
কীভাবে নাম নথিভুক্ত করবেন?
আরও পড়ুন:
· প্রথমে আয়ুষ্মান ভারতের সরকারি পোর্টালে যেতে হবে অথবা মোবাইলে নির্দিষ্ট সরকারি অ্যাপ নামিয়ে নিতে হবে।
আরও পড়ুন:
· সেখানে নিজের মোবাইল নম্বর দিয়ে প্রবেশ করার পর আধার বা রেশন কার্ডের নম্বর দিয়ে যাচাই করতে হবে আপনি প্রকল্পের জন্য যোগ্য কি না।
আরও পড়ুন:
· যোগ্য বলে চিহ্নিত হলে পরিচয় যাচাইয়ের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে। মোবাইলে আসা ওটিপি দেওয়ার পর নিবন্ধন সম্পন্ন হবে।
আরও পড়ুন:
· এরপর নিজের স্বাস্থ্য কার্ড ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করে রাখা যাবে, যা হাসপাতালে চিকিৎসার সময় ব্যবহার করা হবে।