১৩ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চিন-মার্কিন স্নায়ুযুদ্ধ

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ প্রশান্ত মহাসগারীয় অঞ্চল ও তাইওয়ানকে ঘিরে স্নায়ুযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে আমেরিকা ও চিন। এই অঞ্চলে চিনের সামরিক উপস্থিতি সহ্য হচ্ছে না মার্কিন সরকারের। বিপরীতে চিন এই অঞ্চলের দেশগুলোকে নিয়ে বৃহত্তর সামরিক বলয় তৈরির স্বপ্ন দেখছে। সমুদ্রে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, স্থাপনা নির্মাণের পাশাপাশি সামরিক ঘাঁটিও গড়তে চায় চিন। অপরদিকে তাইওয়ানকে নিয়েও দু’দেশের মধ্যে চলছে উত্তেজনা। মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা আশঙ্কা করেছেন, চিন তাইওয়ান আক্রমণ করতে পারে। গণতান্ত্রিক ও স্বশাসিত দ্বীপটিকে নিজেদের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে একীভূত করতে চায় চিন। মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, বেজিং ২০২৭ সালের মধ্যে তাইওয়ানে সামরিক ব্যবস্থার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমেরিকা হল তাইওয়ানের প্রধান মিত্র এবং সামরিক অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ। তাই তাইওয়ানের বিরুদ্ধে সকল হুমকিকে নিজেদের হুমকি বলে মনে করে আমেরিকা। তবে চিন তাইওয়ানে আক্রমণ করলে মার্কিন বাহিনী তাইওয়ানকে রক্ষা করবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ আছে। চিনের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল লি জুওচেং সম্প্রতি মার্কিন সামরিক বাহিনীর চিফ অব স্টাফ জেনারেল মার্ক মিলির সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেছিলেন, তাইওয়ানের মতো ইস্যুতে বেজিংয়ের সাথে আমেরিকার সমঝোতার জায়গা নেই। আমেরিকাকে তাইওয়ানের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করতে বলেছিল বেজিং।

আরও পড়ুন: ‘আগে গুলি চলবে, পরে প্রশ্ন’, আমেরিকাকে কড়া বার্তা ডেনমার্কের
ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

পাকিস্তান–তুরস্ক–সৌদি সামরিক জোটে বাংলাদেশের যোগদানের জল্পনা

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

চিন-মার্কিন স্নায়ুযুদ্ধ

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২২, সোমবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ প্রশান্ত মহাসগারীয় অঞ্চল ও তাইওয়ানকে ঘিরে স্নায়ুযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে আমেরিকা ও চিন। এই অঞ্চলে চিনের সামরিক উপস্থিতি সহ্য হচ্ছে না মার্কিন সরকারের। বিপরীতে চিন এই অঞ্চলের দেশগুলোকে নিয়ে বৃহত্তর সামরিক বলয় তৈরির স্বপ্ন দেখছে। সমুদ্রে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, স্থাপনা নির্মাণের পাশাপাশি সামরিক ঘাঁটিও গড়তে চায় চিন। অপরদিকে তাইওয়ানকে নিয়েও দু’দেশের মধ্যে চলছে উত্তেজনা। মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা আশঙ্কা করেছেন, চিন তাইওয়ান আক্রমণ করতে পারে। গণতান্ত্রিক ও স্বশাসিত দ্বীপটিকে নিজেদের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে একীভূত করতে চায় চিন। মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, বেজিং ২০২৭ সালের মধ্যে তাইওয়ানে সামরিক ব্যবস্থার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমেরিকা হল তাইওয়ানের প্রধান মিত্র এবং সামরিক অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ। তাই তাইওয়ানের বিরুদ্ধে সকল হুমকিকে নিজেদের হুমকি বলে মনে করে আমেরিকা। তবে চিন তাইওয়ানে আক্রমণ করলে মার্কিন বাহিনী তাইওয়ানকে রক্ষা করবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ আছে। চিনের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল লি জুওচেং সম্প্রতি মার্কিন সামরিক বাহিনীর চিফ অব স্টাফ জেনারেল মার্ক মিলির সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেছিলেন, তাইওয়ানের মতো ইস্যুতে বেজিংয়ের সাথে আমেরিকার সমঝোতার জায়গা নেই। আমেরিকাকে তাইওয়ানের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করতে বলেছিল বেজিং।

আরও পড়ুন: ‘আগে গুলি চলবে, পরে প্রশ্ন’, আমেরিকাকে কড়া বার্তা ডেনমার্কের