২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কেন্দ্রীয় বাহিনীর দ্রুত রুট মার্চ শুরু করার নির্দেশ কমিশনের

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কড়া বার্তা দিল ভারতের নির্বাচন কমিশন। পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে—কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পৌঁছালে তাদের বসিয়ে রাখা যাবে না, দ্রুত রুট মার্চ শুরু করতে হবে যাতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়।

সোমবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের নেতৃত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি পীযুষ পাণ্ডে, ডিজি (আইনশৃঙ্খলা) বিনীত গোয়েল, কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর আইজি-সহ শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকরা। বৈঠকে রাজ্যের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই বাংলায় আসছে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, নির্দেশিকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের

সূত্রের খবর, বাহিনী মোতায়েনের পর কোথায় কোথায় রুট মার্চ করা হবে তার তালিকা আগাম কমিশনকে জানাতে হবে। পুরো প্রক্রিয়ার উপর নজর রাখবেন রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং নিযুক্ত অবজার্ভাররা। পাশাপাশি বাহিনীর যাতায়াত, থাকা ও লজিস্টিক ব্যবস্থাও দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: ইসরাইলি যুদ্ধবিমান চালকদের ছবি ‘শীঘ্রই’ প্রকাশ করবে ইরান

আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতিতে প্রাথমিকভাবে রাজ্যে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে মার্চের শুরুতেই ২৪০ কোম্পানি মোতায়েন করা হবে এবং বাকি বাহিনী ১০ মার্চ রাজ্যে পৌঁছাবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের পাঠানো চিঠি অনুযায়ী প্রথম দফায় ১১০ কোম্পানি সিআরপিএফ, ৫৫ কোম্পানি বিএসএফ, ২১ কোম্পানি সিআইএসএফ, ২৭ কোম্পানি আইটিবিপি এবং ২৭ কোম্পানি এসএসবি মোতায়েন থাকবে। দ্বিতীয় দফায় আসবে আরও সিআরপিএফ, বিএসএফ, সিআইএসএফ, আইটিবিপি ও এসএসবি জওয়ান। নির্বাচনের আগে স্পর্শকাতর বুথ চিহ্নিত করার কাজও দ্রুত শেষ করতে বলা হয়েছে প্রশাসনকে। কমিশনের স্পষ্ট বার্তা—নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও ফাঁক রাখা যাবে না, ভোট হতে হবে শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন।

আরও পড়ুন: ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে আরও ১০ দিন রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী, জানালো কলকাতা হাইকোর্ট

প্রতিবেদক

কিবরিয়া আনসারি

Kibria obtained a master's degree in journalism from Aliah University. He has been in journalism since 2018, gaining work experience in multiple organizations. Focused and sincere about his work, Kibria is currently employed at the desk of Purber Kalom.
সর্বধিক পাঠিত

কেরালার নাম বদলে ‘কেরলম’ করার প্রস্তাবে কেন্দ্রের সম্মতি

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কেন্দ্রীয় বাহিনীর দ্রুত রুট মার্চ শুরু করার নির্দেশ কমিশনের

আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কড়া বার্তা দিল ভারতের নির্বাচন কমিশন। পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে—কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পৌঁছালে তাদের বসিয়ে রাখা যাবে না, দ্রুত রুট মার্চ শুরু করতে হবে যাতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়।

সোমবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের নেতৃত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি পীযুষ পাণ্ডে, ডিজি (আইনশৃঙ্খলা) বিনীত গোয়েল, কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর আইজি-সহ শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকরা। বৈঠকে রাজ্যের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই বাংলায় আসছে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, নির্দেশিকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের

সূত্রের খবর, বাহিনী মোতায়েনের পর কোথায় কোথায় রুট মার্চ করা হবে তার তালিকা আগাম কমিশনকে জানাতে হবে। পুরো প্রক্রিয়ার উপর নজর রাখবেন রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং নিযুক্ত অবজার্ভাররা। পাশাপাশি বাহিনীর যাতায়াত, থাকা ও লজিস্টিক ব্যবস্থাও দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: ইসরাইলি যুদ্ধবিমান চালকদের ছবি ‘শীঘ্রই’ প্রকাশ করবে ইরান

আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতিতে প্রাথমিকভাবে রাজ্যে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে মার্চের শুরুতেই ২৪০ কোম্পানি মোতায়েন করা হবে এবং বাকি বাহিনী ১০ মার্চ রাজ্যে পৌঁছাবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের পাঠানো চিঠি অনুযায়ী প্রথম দফায় ১১০ কোম্পানি সিআরপিএফ, ৫৫ কোম্পানি বিএসএফ, ২১ কোম্পানি সিআইএসএফ, ২৭ কোম্পানি আইটিবিপি এবং ২৭ কোম্পানি এসএসবি মোতায়েন থাকবে। দ্বিতীয় দফায় আসবে আরও সিআরপিএফ, বিএসএফ, সিআইএসএফ, আইটিবিপি ও এসএসবি জওয়ান। নির্বাচনের আগে স্পর্শকাতর বুথ চিহ্নিত করার কাজও দ্রুত শেষ করতে বলা হয়েছে প্রশাসনকে। কমিশনের স্পষ্ট বার্তা—নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও ফাঁক রাখা যাবে না, ভোট হতে হবে শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন।

আরও পড়ুন: ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে আরও ১০ দিন রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী, জানালো কলকাতা হাইকোর্ট