পারিজাত মোল্লা: চলতি সপ্তাহে কলকাতা হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চে উঠে বিচারপতি রাজশেখর মান্থারের এজলাস বয়কট ও তাঁর বাড়িতে পোস্টার সংক্রান্ত মামলা। গত শুক্রবার ৯ জন অভিযুক্ত আইনজীবীকে রেহাই দিল বৃহত্তর বেঞ্চ। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থার বেঞ্চের সামনে স্লোগান এবং ঝামেলা করার ঘটনায় এই রায় দিয়েছে। সেই সঙ্গে পোস্টার-কাণ্ডে ধৃত ৬ জনকেও শর্তসাপেক্ষে রেহাই দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
আদালত সুত্রে প্রকাশ, ওই ৯ জন আইনজীবী হলফনামা দিয়ে ক্ষমা চাওয়ায় তাঁদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে পুলিশি তদন্তে বিচারপতির বাড়ি ও কলকাতা হাইকোর্টে পোস্টার লাগানোর অভিযোগে ধৃত ৬ জনকেও শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
তবে, এই মামলায় নতুন ২ জনের নাম উঠে এসেছে পুলিশের রিপোর্টে।আরও পড়ুন:
বৃহত্তর বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের আগামী শুনানির দিন অর্থাত্ ৭ জুলাই আদালতে পেশ করতে' ।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থার বাড়িতে পোস্টার লাগানো ও তাঁর এজলাসে গণ্ডগোলের মামলার শুনানি চলে কলকাতা হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চে। সেখানেই যে ৯ জন আইনজীবী বিচারপতির বিরুদ্ধে স্লোগান এবং এজলাসে গণ্ডগোল করেছিলেন, তাঁরা হলফনামা দিয়ে ক্ষমা চেয়েছেন আদালতের কাছে। সেই কারণে গত শুক্রবার বৃহত্তর বেঞ্চের তরফে তাঁদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
পাশাপাশি, যে ৬ জনকে কলকাতা পুলিশ বিচারপতির বাড়ি ও কলকাতা হাইকোর্ট চত্বরে পোস্টার লাগানোর জন্য গ্রেফতার করেছিল, তাঁদেও মুক্তি দিয়েছে বৃহত্তর বেঞ্চ।
তবে, তাঁদের সতর্ক করেছে বেঞ্চ।আরও পড়ুন:
বলা হয়েছে, 'ভবিষ্যতে যেন এমন কাজ না হয়। এমনটা করলে সেক্ষেত্রে আদালত কঠিন পদক্ষেপ নেবে' । তবে, এই মামলার শুনানিতে আজ দু'টি নতুন নাম উঠে এসেছে।
আরও পড়ুন:
একটি আইনজীবী দ্বীপনীল বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক মান্না নামে এক ব্যক্তির নাম পুলিশের পেশ করা রিপোর্ট উঠে এসেছে? কিন্তু, কারা এরা?
আরও পড়ুন:
পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী, 'আইনজীবী দ্বীপনীল বন্দ্যোপাধ্যায় রাজাশেখর মান্থার বাড়ি ও আদালত চত্বরে পোস্টার লাগানোর জন্য ৫০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন অভিষেক মান্নাকে। তবে অভিষেক মান্না কে? কলকাতা হাইকোর্ট বা আইনজীবী মহলের সঙ্গে তাঁর কী সম্পর্ক? এসবের কোনও জবাব পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন:
বৃহত্তর বেঞ্চ তাঁদের দু'জনকে আগামী ৭ জুলাইয়ের শুনানিতে হাজির থাকতে নির্দেশ দিয়েছে। এর জন্য কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের আদালতে পেশ করানোর জন্য।
আরও পড়ুন:
আগামী ৭ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে বলে জানা গেছে।