২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শনিবার, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুন্দরবনে বাঘের কামড়ে আহত  মৎস্যজীবির মৃত্যু কলকাতার হাসপাতালে   

 

 

আরও পড়ুন: ইন্দোরে বিষ জল পানে আরও ৩ জনের প্রাণহানি, মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২৮

 

আরও পড়ুন: এসআইআর শুনানির নোটিস, আতঙ্কে হৃদরোগে মৃত্যু মুর্শিদাবাদের বাসিন্দার

 

আরও পড়ুন: ছেলে-মেয়েকে হিয়ারিংয়ের নোটিশ, আতঙ্কে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বৃদ্ধ বাবার

উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়,কুলতলি :বাঘের কামড়ে গুরুতর আহত হওয়ার পর কলকাতার হাসপাতালে  মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিলেন মৎস্যজীবি সঞ্জয় চক্রবর্তী।  ২৪ ঘন্টা লড়াই এর পরে কলকাতার হাসপাতালে মৃত্যু হল তাঁর। এলাকায় শোকের ছায়া। সরকারি সাহায্য এর আশায় মৃতের পরিবার। বাঘের আক্রমণে গুরুতর আহত হন মৈপিঠ কোস্টাল থানার নগেনাবাদ এলাকার সঞ্জয় চক্রবর্তী নামে ওই  মৎস্যজীবি।,গত ৩রা ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকালে পূর্ণ দাস তাঁর নৌকা নিয়ে পশুপতি সর্দার,  সমর হালদার, সঞ্জয় চক্রবর্তী চার বন্ধু মিলে  সুন্দরবনের জঙ্গলে কাঁকড়া ধরতে যান।

শনিবার বিকালে নৌকায় বসে কাঁকড়া ধরার চার তৈরি করার মুহূর্তে জঙ্গল থেকে পিছনের দিক থেকে লাফিয়ে নৌকার উপরে সঞ্জয় চক্রবর্তীর ঘাড়ে উপর একটি বাঘ ঝাঁপিয়ে পড়ে কামড় দেয়।পাশে থাকা পূর্ণ দাস, পশুপতি সর্দার,সমর হালদার বাঘের সঙ্গে অসীম সাহসিকতায় যুদ্ধ  করে সঞ্জয় চক্রবর্তীকে বাঁচিয়ে নিয়ে আসে ঐ দিন ভোরে। মৈপীঠ কোস্টাল এলাকার এক চিকিৎসকের কাছে প্রাথমিক চিকিৎসার পর নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতা পি জি হাসপাতালে।সেখানে রবিবার সারাদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে রবিবার রাত আড়াই টা নাগাদ মৃত্যুর কাছে পরাজিত হন  গুরুতর  আহত ওই  মৎস্যজীবি।

পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ছিলেন তিনি।এক ছেলে এক মেয়ে। দুজনেই খুব ছোট্ট ক্লাস দ্বিতীয় ও সপ্তম শ্রেণীতে পড়ে।২০২৩ সালের এ পর্যন্ত বাঘের আক্রমণে সুন্দরবনের ৫ জন মৎস্যজীবির মৃত্যু ঘটলো। সব মৎস্যজীবিদের নিয়ে দীর্ঘদিন সুন্দরবন সহ সারা রাজ্য জুড়ে কাজ করে চলেছে এপিডিআর নামে একটি মানবাধিকার সংগঠন।সোমবার এই সংগঠনের জেলার সহ সম্পাদক মিঠুন মন্ডল বলেন,এই সব গরীব মানুষদের নার্য অধিকার ফিরিয়ে দিতে আমরা লড়াই করে চলেছি।বিকল্প উপার্জন এদের জঙ্গলমুখী থেকে আটকাতে পারে।আমরা চাই, অবিলম্বে পরিবারের একজনের সরকারি চাকরি দেওয়ার কথা সরকারি ভাবে ঘোষণা করতে হবে।ক্ষতি পূরনের ৫ লক্ষ টাকা পাইয়ে দিতে হবে কোন কোর বা বাফার এরিয়ার অজুহাত দিয়ে বঞ্চিত করা যাবে না।সরকারকে।বাচ্চাদের পড়াশোনার দায়িত্ব নিয়ে হবে।বনদপ্তর সহ বিডিও থানা,পঞ্চায়েত সরকারি দপ্তরের কোন টালমাটাল করা চলবে না।বনদপ্তরের কাছে লিখিত দরখাস্ত পরিবারের থেকে দেওয়া সেটি  জমা নিতে হবে।আর তা নহলে আমরা আমাদের লড়াই চালিয়ে যাবো।

সর্বধিক পাঠিত

আজ SIR এর প্রথম চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, কী দেখবেন এবং কীভাবে দেখবেন

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সুন্দরবনে বাঘের কামড়ে আহত  মৎস্যজীবির মৃত্যু কলকাতার হাসপাতালে   

আপডেট : ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, সোমবার

 

 

আরও পড়ুন: ইন্দোরে বিষ জল পানে আরও ৩ জনের প্রাণহানি, মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২৮

 

আরও পড়ুন: এসআইআর শুনানির নোটিস, আতঙ্কে হৃদরোগে মৃত্যু মুর্শিদাবাদের বাসিন্দার

 

আরও পড়ুন: ছেলে-মেয়েকে হিয়ারিংয়ের নোটিশ, আতঙ্কে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বৃদ্ধ বাবার

উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়,কুলতলি :বাঘের কামড়ে গুরুতর আহত হওয়ার পর কলকাতার হাসপাতালে  মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিলেন মৎস্যজীবি সঞ্জয় চক্রবর্তী।  ২৪ ঘন্টা লড়াই এর পরে কলকাতার হাসপাতালে মৃত্যু হল তাঁর। এলাকায় শোকের ছায়া। সরকারি সাহায্য এর আশায় মৃতের পরিবার। বাঘের আক্রমণে গুরুতর আহত হন মৈপিঠ কোস্টাল থানার নগেনাবাদ এলাকার সঞ্জয় চক্রবর্তী নামে ওই  মৎস্যজীবি।,গত ৩রা ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকালে পূর্ণ দাস তাঁর নৌকা নিয়ে পশুপতি সর্দার,  সমর হালদার, সঞ্জয় চক্রবর্তী চার বন্ধু মিলে  সুন্দরবনের জঙ্গলে কাঁকড়া ধরতে যান।

শনিবার বিকালে নৌকায় বসে কাঁকড়া ধরার চার তৈরি করার মুহূর্তে জঙ্গল থেকে পিছনের দিক থেকে লাফিয়ে নৌকার উপরে সঞ্জয় চক্রবর্তীর ঘাড়ে উপর একটি বাঘ ঝাঁপিয়ে পড়ে কামড় দেয়।পাশে থাকা পূর্ণ দাস, পশুপতি সর্দার,সমর হালদার বাঘের সঙ্গে অসীম সাহসিকতায় যুদ্ধ  করে সঞ্জয় চক্রবর্তীকে বাঁচিয়ে নিয়ে আসে ঐ দিন ভোরে। মৈপীঠ কোস্টাল এলাকার এক চিকিৎসকের কাছে প্রাথমিক চিকিৎসার পর নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতা পি জি হাসপাতালে।সেখানে রবিবার সারাদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে রবিবার রাত আড়াই টা নাগাদ মৃত্যুর কাছে পরাজিত হন  গুরুতর  আহত ওই  মৎস্যজীবি।

পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ছিলেন তিনি।এক ছেলে এক মেয়ে। দুজনেই খুব ছোট্ট ক্লাস দ্বিতীয় ও সপ্তম শ্রেণীতে পড়ে।২০২৩ সালের এ পর্যন্ত বাঘের আক্রমণে সুন্দরবনের ৫ জন মৎস্যজীবির মৃত্যু ঘটলো। সব মৎস্যজীবিদের নিয়ে দীর্ঘদিন সুন্দরবন সহ সারা রাজ্য জুড়ে কাজ করে চলেছে এপিডিআর নামে একটি মানবাধিকার সংগঠন।সোমবার এই সংগঠনের জেলার সহ সম্পাদক মিঠুন মন্ডল বলেন,এই সব গরীব মানুষদের নার্য অধিকার ফিরিয়ে দিতে আমরা লড়াই করে চলেছি।বিকল্প উপার্জন এদের জঙ্গলমুখী থেকে আটকাতে পারে।আমরা চাই, অবিলম্বে পরিবারের একজনের সরকারি চাকরি দেওয়ার কথা সরকারি ভাবে ঘোষণা করতে হবে।ক্ষতি পূরনের ৫ লক্ষ টাকা পাইয়ে দিতে হবে কোন কোর বা বাফার এরিয়ার অজুহাত দিয়ে বঞ্চিত করা যাবে না।সরকারকে।বাচ্চাদের পড়াশোনার দায়িত্ব নিয়ে হবে।বনদপ্তর সহ বিডিও থানা,পঞ্চায়েত সরকারি দপ্তরের কোন টালমাটাল করা চলবে না।বনদপ্তরের কাছে লিখিত দরখাস্ত পরিবারের থেকে দেওয়া সেটি  জমা নিতে হবে।আর তা নহলে আমরা আমাদের লড়াই চালিয়ে যাবো।