পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: ১৫ মাসের যুদ্ধে শহিদ প্রায় ৪৭০০০। যাঁদের মধ্যে শিশু সংখ্যা ১৮০০০। হামাসকে নির্মূল করার লক্ষ্যে একের পর এক প্রাণঘাতী হামলা চালায় ইহুদি সেনা। জানা গেছে, গাজায় প্রায় ১৬ মাস ধরে চলা ইসরাইলি হামলা ও আগ্রাসনে এখনও পর্যন্ত ১৬ জন শীর্ষ স্থানীয় নেতা শহিদ হয়েছেন।

যার একতি তালিকা প্রকাশ করেছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ইসমাইল হানিয়া, ইয়াহিয়া সিনওয়ার ও সালেহ আল-আরুরির মতো খ্যাতিমান নেতা।
সেই সঙ্গে ‘প্রতিরোধমূলক লড়াইয়ে অনস্বীকার্য অবদানের জন্য’ নিহত নেতাদের ভূয়সী প্রশংসা করেছে হামাস। জানিয়েছে, ‘তাদের মৃত্যু স্বাধীনতাকামী আন্দোলনকে দুর্বল করবে না’।

এদিকে গত ১৯ জানুয়ারি হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি এবং বন্দিবিনিময় কার্যকর হয়েছে। যা প্রাথমিকভাবে ৪২ দিন স্থায়ী হবে।

এই চুক্তির মধ্যস্থতায় রয়েছে মিশর ও কাতার এবং এতে যুক্তরাষ্ট্রও সমর্থন দিয়েছে। এদিকে ইসরাইলের ১৬ মাসের হামলায় ৪৭,৫০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এছাড়া আহত হয়েছেন ১,১১,০০০ জনেরও বেশি। অন্যদিকে গাজায় এখনো ১১,০০০ জনেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন এবং সেখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও মানবিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

এসব ঘটনায় ২০২৪ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং তার   প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। ইসরাইল বর্তমানে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত  -এ গাজায় গণহত্যার অভিযোগের মামলার মুখোমুখি রয়েছে।