পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ নির্বাচন প্রক্রিয়ার মধ্যেই অনিশ্চয়তায় ঝুলে রয়েছে ১৪ জন প্রার্থীর ভাগ্য। নির্বাচন কমিশনের ‘বিবেচনাধীন’ তালিকায় তাঁদের নাম থাকায় মনোনয়ন জমার শেষ সময়ের আগে সিদ্ধান্ত না হলে কী হবে, সেই প্রশ্ন উঠেছে শীর্ষ আদালতে।
আরও পড়ুন:
মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে এই বিষয়টি উত্থাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-র আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান। তাঁর বক্তব্য, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি না হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকেই ছিটকে যেতে পারেন।
আরও পড়ুন:
বিষয়টি শুনে উদ্বেগ প্রকাশ করে সুপ্রিমকোর্ট।
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী-কে পাশে নিয়ে বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি বা সংশ্লিষ্ট বিচারপতিদের দ্বারস্থ হতে পারেন। আদালতের আশা, এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন আপত্তি না করে সহযোগিতা করবে।আরও পড়ুন:
যদিও ওই ১৪ জন প্রার্থী কোন রাজনৈতিক দলের, তা স্পষ্ট হয়নি। এ প্রসঙ্গে মামলার অপর পক্ষের আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য বলেন, শুধু স্বীকৃত রাজনৈতিক দল নয়, নির্দল প্রার্থীদের ক্ষেত্রেও একই সুযোগ থাকা উচিত। তবে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী জানান, আগে স্বীকৃত দলগুলির প্রার্থীদের সমস্যা মেটানো হোক, পরে অন্যদের বিষয় বিবেচনা করা হবে।
আরও পড়ুন:
শুনানিতে প্রধান বিচারপতির এক মন্তব্যও বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি বলেন, ১২টি রাজ্যে এই প্রক্রিয়া চলছে, কিন্তু সমস্যা শোনা যাচ্ছে মূলত পশ্চিমবঙ্গ থেকেই। তাঁর কথায়, বিচারিক আধিকারিকরা দিনরাত পরিশ্রম করে ৩৫ দিনের মধ্যে বিপুল সংখ্যক মামলার নিষ্পত্তি করছেন, যা সহজ কাজ নয়।
আরও পড়ুন:
এ সময় মামলার আর এক আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, এই ধরনের অসঙ্গতি অন্য কোথাও নেই, শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গেই দেখা যাচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, ভোট ঘোষণার দিনেই রাজ্যের মুখ্যসচিবকে সরিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনাও এই রাজ্যেই ঘটেছে। সব মিলিয়ে, প্রার্থীদের ভাগ্য অনিশ্চয়তায় ঝুলে থাকায় নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও সময়সীমা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।