পুবের কলম ওয়েবডেস্ক : নারকেলডাঙা থানা এলাকায় এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল। বৃহঃস্পতিবার ওই মহিলার মৃতদেহ ঘর থেকেই উদ্ধার হয়। নিহত শ্বেতা প্রসাদ সাউয়ের (২৯) খুনের ঘটনায় তার স্বামী রোহিতকুমার সাউকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে, বেল্ট ও লোহার রড দিয়ে মারধর করে স্ত্রীকে হত্যা করেন রোহিত। শ্বেতার শ্বশুরবাড়ির তরফ থেকে দাবি করা হয়, তিনি গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন।
কিন্তু এই দাবি মানতে রাজি হননি শ্বেতার বাবা ওমপ্রকাশ প্রসাদ। তিনি নারকেলডাঙা থানায় স্পষ্ট অভিযোগ দায়ের করেন, যে তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে।আরও পড়ুন:
রোহিতের দাবি, বুধবার দুপুরে বাড়ি ফেরার পর মেঘালয় সফর বাতিল হওয়া নিয়ে স্ত্রী শ্বেতার সঙ্গে তাঁর বাদানুবাদ হয়। এরপরেই শ্বেতা একটি ঘরে নিজেকে বন্ধ করে দেন। কিছুক্ষণ পর সেই ঘর থেকেই তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়।
কিন্তু শ্বেতার বাবা দাবি করেন, বুধবারই মেয়ে ফোন করে তাকে শ্বশুরবাড়িতে ডাকে। কিন্তু রোহিত তাঁকে নিজের অফিসে বসিয়ে রাখেন।আরও পড়ুন:
আবারও মেয়ে তার বাবাকে ফোন করে জানায়, তাকে মারধর করা হচ্ছে। তখন জোর করে ওমপ্রকাশ বাড়িতে ঢুকে দেখেন, মৃত শ্বেতার দেহ নিয়ে বসে আছেন রোহিত। ওমপ্রকাশের অভিযোগ, এর আগেও একাধিকবার শ্বেতার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
এমনকি পণ চাওয়া ও পুত্রসন্তান না হওয়ার জন্য শ্বশুরবাড়িতে তাঁকে লাগাতার হেনস্থা হতে হতো। শ্বেতা ও রোহিতের দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে। এই ঘটনায় রোহিতের পাশাপাশি শ্বেতার শ্বশুর-শাশুড়ির বিরুদ্ধেও অত্যাচারের অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যেই রোহিতের মোবাইল ফোন-সহ একাধিক জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি হত্যা না আত্মহত্যা, তা স্পষ্টভাবে জানতে ফরেন্সিক দল ঘটনাস্থলে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করেছে।