পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: কে কে, সঙ্গীত শিল্পী কৃষ্ণকুমার কুন্নথের অকাল প্রয়াণে শোকস্তব্ধ গোটা দেশ। এই জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীর অকাল প্রয়াণে শোকজ্ঞাপন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মাত্র ৫৩ বছর বয়সেই ইতি টানলেন শিল্পী। সাধারণ মানুষের কথায় কে কে এক আবেগের নাম। নজরুল মঞ্চে মঙ্গলবার সন্ধ্যাতেও শিল্পীর অসাধারণ অনুষ্ঠান কেউ ভুলতে পারছেন না।
কলেজ ফেস্টে গান গেয়ে মাতিয়ে দিয়েছিলেন তিনি৷ তার পরে হোটেলে ফিরে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা শিল্পীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানান।The sudden and untimely demise of the Bollywood playback singer KK shocks and saddens us. My colleagues have been working from last night to ensure that all requisite support is given for necessary formalities, his rites and to his family now. My deep condolences.
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) June 1, 2022
আরও পড়ুন:
শিল্পীর এই অকালপ্রয়াণে শোকস্তব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী তার ট্যুইটে জানিয়েছেন, সঙ্গীতশিল্পী কেকে-র অসময় মৃত্যুতে আমি খুবই মর্মাহত৷ এভাবে তাঁর হঠাৎ মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না৷ গতকাল রাত থেকে আমার সহকর্মীরা সব রকমের ব্যবস্থা নিয়েছে তাঁর পরিবারের পাশে থাকতে, তাঁদের সাহায্য করতে৷ কেক-র অকালপ্রয়াণে আমি গভীর শোকাহত৷
আরও পড়ুন:
কেকে-এর পুরো নাম কৃষ্ণকুমার কুন্নথ।
তবে কে কে নামেই বিখ্যাত ছিলেন তিনি। সাড়ে তিন হাজারের বেশি গান গেয়েছেন তিনি। হিন্দি ছাড়াও তামিল, তেলেগু ও কন্নড় ভাষায় গান গেয়েছেন তিনি। কিন্তু হিন্দি গানের জগতে তিনি আসন করে নিয়েছেন। ১৯৬৮ সালের ২৩ অগস্ট জন্ম হয় কেকে-এর। তার জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে- হাম দিল দে চুকে সনমের ‘তড়প তড়প, দেবদাসের ‘ডোলা রে’, ও লামহে সিনেমার ‘ক্যায়া মুঝে প্যায়ার হ্যায়’, ওম শান্তি ওম সিনেমার ‘আঁখোমে মে তেরি’, বাঁচ না এক হাসিনো সিনেমার ‘খুদা জানে’, আশিকী-২ সিনেমার ‘পিয়া আযে না’ ইত্যাদি। গানের জন্য পাঁচ বার ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড জিতেন তিনি।আরও পড়ুন:
তবে শিল্পীর মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্টভাবে জানা যায়নি। কে কে মৃত্যুর তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এদিন গ্র্যান্ড হোটেলে যান কলকাতা পুলিশের জয়েন্ট সিপি ক্রাইম মুরলীধর শর্মা ও ডিসি সেন্ট্রাল রূপেশ কুমার। গ্র্যান্ড হোটেলের শিফট ম্যানেজার, হোটেল কর্মী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলেন পুলিশ আধিকারিকরা। হোটেলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: