পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: ইসরাইল ইরানের দিক চোখ তুলে তাকালে, ইসরাইলের অবস্থা যে ভয়াবহ হবে তা ফের স্পষ্ট করে দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। তিনি সাফ জানিয়েছেন, ইরানি ভূখণ্ডের ওপর ফের কোনও হামলা হলে, ইসরাইলি ভূখণ্ড নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে। জায়নবাদী সরকার যদি আরেকবার ভুল করে ইরানের মাটিতে আগ্রাসন চালায়, তাহলে পরিস্থিতি ভিন্ন হবে এবং এই শাসনব্যবস্থার কতটা অবশিষ্ট থাকবে, তা পরিষ্কার নয়'। মঙ্গলবার পাকিস্তান সফরের দ্বিতীয় দিনে এক অনুষ্ঠানে এমনই চরম হুঁশিয়ারি দিলেন রাইসি।
আরও পড়ুন:
ইরানি প্রেসিডেন্ট ইসরাইলকে সর্তক করে বলেছেন, "যদি ইসরাইল আবারও ইরানের ওপর হামলা করে তাহলে ইসরাইল আর থাকবে না।
তারা যদি একই ভুল দ্বিতীয়বার করে এবং পবিত্র ইরানের সার্বভৌমতাকে লঙ্ঘন করে তাহলে পরিস্থিতি ভিন্ন হবে। তবে এ সময় ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইরানের সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলেও জানান রাইসি।আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, হামাস-ইসরাইল সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান-ইসরাইল একে অপরের ওপর হামলা চালায়। সিরিয়ায় ইরানের কন্স্যুলেটে তেল আবিবের হামলার পর জবাবে ইসরাইলের ওপর আক্রমণ করে ইরান। তিনশো'র বেশি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ছোড়ে তেহরানের সশস্ত্র বাহিনী।
গত ১৩ এপ্রিল ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ’ নামে অভিযানের অংশ হিসেবে ইসরাইলকে লক্ষ্য করে কয়েক শ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। এসব অস্ত্রের বেশির ভাগ ভূপাতিত করে আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা। এ কাজে ইসরাইলকে সহযোগিতা করে যুক্তরাষ্ট্রসহ মিত্র রাষ্ট্রগুলো।আরও পড়ুন:
পাল্টা জবাবে শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ভোরে ইসরাইল ইরানের ইসফাহানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। তবে ইরান সরকার তা অস্বীকার করেছে।
পরবর্তীতে ইসরাইল ইরানে আরও বড় হামলা ছক কষেছিল। কিন্তু পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নিতে পারে এমন ভয়ে সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটে নেতানিয়াহুর সরকার।আরও পড়ুন:
এদিকে, গত রবিবার ২১ এপ্রিল ইসরাইলে হামলা চালিয়ে শক্তি দেখিয়েছে ইরান, এমনই মন্তব্য করেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ইরানি সেনাদের সাহসিকতারও প্রশংসা করেন তিনি। খামেনি বলেন, "ইসরাইলে হামলার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও একবার নিজেদের শক্তির জানান দিতে সক্ষম হয়েছে ইরান। কতগুলো রকেট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে। এই আক্রমণের মধ্য দিয়ে ইরানের সেনাদের দৃঢ়তা, সাহসিকতা এবং সক্ষমতা প্রকাশ্যে এসেছে।"