পুবের কলম প্রতিবেদকঃ কলকাতা পুরসভার রোড বিভাগের নির্মিত উল্টোডাঙা থেকে দক্ষিণে কামালগাজি পর্যন্ত টানা প্রায় ৩২ কিমি দূরত্বে ইএম বাইপাসের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবে খড়্গপুর আইআইটি। বর্তমানে কলকাতার লাইফ লাইন এই রাস্তা একদিকে যেমন ব্যস্ততম অন্যদিকে তেমনি দূর্ঘটনা প্রবণ।
আরও পড়ুন:
সংবাদ সূত্রে জানা গেছে, ব্যস্ততম এই রাস্তার দূর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করতে নয়া উদ্যোগ গ্রহণ করেছে কলকাতা পুরসভা। পুরসভার রোড বিভাগ সম্প্রতি বাইপাসের ব্ল্যাক স্পট চিহ্নিত করতে আইআইটি খড়্গপুরের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. ভার্গব মৈত্রর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছে পুরসভার রোড বিভাগ।
তৈরি হয়েছে একটি চুক্তি।আরও পড়ুন:
কলকাতা পুরসভার এক আধিকারিক সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “উল্টোডাঙা থেকে কামালগাজি পর্যন্ত এই দীর্ঘ রাস্তায় রোজ নিয়ম করে কত দ্রুতগামী যানবাহন চলাচল করে, তার পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে কলকাতা পুলিশের ট্র্যাফিক বিভাগ থেকে। এবার বাইপাসের অন্তত ৩২টি বিভিন্ন অংশে রাস্তার ভার বহন ক্ষমতা পরীক্ষা করা হবে।” তিনি আরও বলেন, “এই কাজটা করবে খড়্গপুর আইআইটির সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ।
দেখা হবে রাস্তার বহন ক্ষমতা যথেষ্ট কিনা? একইসঙ্গে দেখা হবে বাইপাসের ঢাল কতটা বেড়েছে।”আরও পড়ুন:
আধিকারিকরা মনে করছেন, রাস্তার কংক্রিট আস্তরণ কমে গেলে সামান্য বৃষ্টি হলেও দুর্ঘটনা হতে পারে। পাশাপাশি ট্র্যাফিক থেকে পাওয়া তথ্য খতিয়ে দেখে দেখা হবে, কোন কোন এলাকা দুর্ঘটনাপ্রবণ।
সেই অনুযায়ী রাস্তার ঢাল এবং স্পিড কন্ট্রোল করতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাস্তার পাশে ল্যাম্পপোস্ট খানিকটা সরিয়ে দিলে অনেক ক্ষেত্রে দুর্ঘটনা কম হয়। পাশাপাশি সিগন্যাল সিস্টেম এবং স্পিড কন্ট্রোল যন্ত্র ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে।আরও পড়ুন:
আগামী বুধবার রাত থেকে সমীক্ষার কাজ শুরু হবে। পুরসভা সূত্রে খবর, প্রথম সমীক্ষা অভিষিক্তার সামনে থেকে শুরু হতে পারে। গাড়ির সর্বোচ্চ স্পিড ওই এলাকায় কতটা রাখতে হবে, সেটি ঠিক হবে। বিমানবন্দরমুখী যানবাহনকে দ্রুত নির্বিঘ্নে পৌঁছে দিতে কলকাতা পুলিশ ও পুরসভা বিশেষ উদ্যোগ নেবে।