০৪ মার্চ ২০২৬, বুধবার, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে নিয়োগ মামলায় অগ্রগতি রিপোর্ট জমা দিল সিবিআই

পারিজাত মোল্লা: বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতির ওএমআর শিট কারচুপি মামলায় সিলবন্ধ খামে রিপোর্ট জমা দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। এদিন বিচারপতি অভিজিত্‍ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে এসে এই রিপোর্ট জমা দিল সিবিআই। আগামী ৪ জানুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে বলে জানা গেছে।

 

আরও পড়ুন: বন্দেমাতরম বিতর্কে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা

এর আগে প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতির ওএমআর শিট কারচুপি মামলায় তদন্তকারী হিসাবে সিবিআইয়ের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল সিঙ্গেল বেঞ্চ। আদালত সুত্রে প্রকাশ, গত বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তদন্তের অগ্রগতি কতটা হয়েছে? তা গত ১৭ অগস্ট বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চে মুখবন্ধ খামে জানিয়েছিল সিবিআই। যদিও তা নিয়ে সন্তুষ্ট হননি বিচারপতি। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, ‘এক বছর কেটে গেলেও সিবিআইয়ের তদন্তে তেমন অগ্রগতি হয়নি’।

আরও পড়ুন: দীর্ঘকালীন সম্পর্কে বিচ্ছেদ মানেই ধর্ষণ নয়: পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের

 

আরও পড়ুন: এক হাজার কোটি টাকার ব্যাঙ্ক জালিয়াতির অভিযোগ: কলকাতার একাধিক জায়গায় সিবিআইয়ের তল্লাশি অভিযান

এ নিয়ে সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এর পাশাপাশি পরে মামলাকারীর অভিযোগ, ওএমআর শিটের ‘ডিজিটাইজড ডেটা’য় অনেক ভুল রয়েছে। আদালতে ওএমআর শিটের তথ্য বলে যে নথি পেশ করা হয়েছে, তা একেবারেই বিশ্বাসযোগ্য নয়। কারণ, ওএমআর শিটের ডিজিটাইজড ডেটা বলতে যা বোঝায়, তা আসলে ওএমআর শিটের স্ক্যান করা কপি। কিন্তু এক্ষেত্রে পর্ষদ আদালতে যা পেশ করেছে, তা টাইপ করা তথ্য। আর সেই তথ্যে প্রশ্ন-উত্তরের অনেক বিকল্পেও ভুল রয়েছে। এর পর কোনও নথির ডিজিটাইজ়ড কপি বলতে কী বোঝায়?তা জানিতে চেয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এদিন তদন্তের অগ্রগতি রিপোর্ট জমা দিল সিবিআই। আগামী ৪ জানুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।

প্রতিবেদক

কিবরিয়া আনসারি

Kibria obtained a master's degree in journalism from Aliah University. He has been in journalism since 2018, gaining work experience in multiple organizations. Focused and sincere about his work, Kibria is currently employed at the desk of Purber Kalom.
সর্বধিক পাঠিত

খামেনি হত্যার প্রতিবাদের ভিডিয়ো শেয়ার: শ্রীনগরের সাংসদ রুহুল্লাহ মেহদির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল পুলিশ

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে নিয়োগ মামলায় অগ্রগতি রিপোর্ট জমা দিল সিবিআই

আপডেট : ২১ ডিসেম্বর ২০২৩, বৃহস্পতিবার

পারিজাত মোল্লা: বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতির ওএমআর শিট কারচুপি মামলায় সিলবন্ধ খামে রিপোর্ট জমা দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। এদিন বিচারপতি অভিজিত্‍ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে এসে এই রিপোর্ট জমা দিল সিবিআই। আগামী ৪ জানুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে বলে জানা গেছে।

 

আরও পড়ুন: বন্দেমাতরম বিতর্কে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা

এর আগে প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতির ওএমআর শিট কারচুপি মামলায় তদন্তকারী হিসাবে সিবিআইয়ের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল সিঙ্গেল বেঞ্চ। আদালত সুত্রে প্রকাশ, গত বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তদন্তের অগ্রগতি কতটা হয়েছে? তা গত ১৭ অগস্ট বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চে মুখবন্ধ খামে জানিয়েছিল সিবিআই। যদিও তা নিয়ে সন্তুষ্ট হননি বিচারপতি। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, ‘এক বছর কেটে গেলেও সিবিআইয়ের তদন্তে তেমন অগ্রগতি হয়নি’।

আরও পড়ুন: দীর্ঘকালীন সম্পর্কে বিচ্ছেদ মানেই ধর্ষণ নয়: পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের

 

আরও পড়ুন: এক হাজার কোটি টাকার ব্যাঙ্ক জালিয়াতির অভিযোগ: কলকাতার একাধিক জায়গায় সিবিআইয়ের তল্লাশি অভিযান

এ নিয়ে সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এর পাশাপাশি পরে মামলাকারীর অভিযোগ, ওএমআর শিটের ‘ডিজিটাইজড ডেটা’য় অনেক ভুল রয়েছে। আদালতে ওএমআর শিটের তথ্য বলে যে নথি পেশ করা হয়েছে, তা একেবারেই বিশ্বাসযোগ্য নয়। কারণ, ওএমআর শিটের ডিজিটাইজড ডেটা বলতে যা বোঝায়, তা আসলে ওএমআর শিটের স্ক্যান করা কপি। কিন্তু এক্ষেত্রে পর্ষদ আদালতে যা পেশ করেছে, তা টাইপ করা তথ্য। আর সেই তথ্যে প্রশ্ন-উত্তরের অনেক বিকল্পেও ভুল রয়েছে। এর পর কোনও নথির ডিজিটাইজ়ড কপি বলতে কী বোঝায়?তা জানিতে চেয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এদিন তদন্তের অগ্রগতি রিপোর্ট জমা দিল সিবিআই। আগামী ৪ জানুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।