পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: বিরল এক শিশুর জন্মে চাঞ্চল্য ছড়াল কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে। কোমরের নীচ থেকে দু'টি পা একসঙ্গে জোড়া, দেখতে অনেকটা মাছের লেজের মতো। চিকিৎসা পরিভাষায় একে বলা হয় ‘মারমেড বেবি’ বা ‘সিরেনোমেলিয়া’। তবে জন্মের প্রায় চার ঘণ্টার মধ্যেই ‘মৎস্যকন্যা’ শিশুটির মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন:
জানা গেছে, কাটোয়া থানার করজগ্রামের বাসিন্দা এক গর্ভবতী মহিলাকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রসববেদনা নিয়ে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। রাত প্রায় ১টা নাগাদ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জন্ম হয় শিশুর। ওজন ছিল প্রায় আড়াই কেজি। শিশুটিকে দেখে অবাক হয়ে যান চিকিৎসক ও নার্সরা।
আরও পড়ুন:
চিকিৎসক ডাঃ রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল বলেন, ‘আমার ৩৩ বছরের অভিজ্ঞতায় এই প্রথম এমন শিশুর জন্ম দেখলাম। রাজ্যের মহকুমা স্তরের হাসপাতালে এর আগে এ রকম ঘটনার নজির নেই।’ তিনি জানান, মারমেড বেবি সাধারণত মেয়ে শিশু হয় এবং তারা দীর্ঘদিন বাঁচে না। জন্মের পর শিশুটি কিছুক্ষণ হাত-পা ছুড়েছিল।
যথাযথ চিকিৎসাও শুরু করা হয়েছিল, কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি।আরও পড়ুন:
জানা গেছে, মৃত শিশুটির মা সুস্থ রয়েছেন এবং এখনও চিকিৎসাধীন। এটি ছিল তাঁর দ্বিতীয় সন্তান। প্রথম সন্তান একদম সুস্থ এবং বর্তমানে তিন বছর বয়স। পরিবার সূত্রে খবর, শিশুটির বাবা ভিন রাজ্যে কাজ করেন। দেশে বা বিদেশে মাঝে মধ্যেই এ ধরনের শিশুর জন্মের খবর শোনা গেলেও পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া মহকুমায় এই প্রথম এমন ঘটনা ঘটল।