পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: দিল্লিতে ছাত্র-যুবদের মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়ার প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভে সামিল হওয়া শীর্ষ বিরোধী নেতাদের আটক করল দিল্লি পুলিশ। মঙ্গলবার উচ্চ নিরাপত্তা বলয় লোককল্যাণ মার্গে ধর্নায় বসেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়গে, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা এবং সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব।
আরও পড়ুন:
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বার্তা এবং প্রশাসনের আবেদন উপেক্ষা করে রাতভর ধর্নার প্রস্তুতি নেওয়ার সময়ই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাঁদের আটক করে বাসে তুলে নিয়ে যায় দিল্লি পুলিশ। এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন কেরলের বিরোধী দলনেতা ভি ডি সতীশন, কর্ণাটকের উপমুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার এবং এনসিপি (এসপি) সাংসদ সুপ্রিয়া সুলেও।
আরও পড়ুন:
নিট প্রশ্নফাঁস সংক্রান্ত আন্দোলনে যুক্ত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি পদক্ষেপের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সমাজমাধ্যমে বার্তা দিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী।
শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকে দেশের প্রতিটি পরিবারের ওপর হামলা বলে বর্ণনা করে তিনি দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর আবাসের সামনে ধর্নায় সামিল হওয়ার আহ্বান জানান। এর পরপরই আন্দোলন শুরু হলে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ ধর্নাস্থলে গিয়ে নেতাদের সঙ্গে দেখা করেন এবং উচ্চ নিরাপত্তা বলয় থেকে সরে দাঁড়ানোর আর্জি জানান। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশে স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহনকে সঙ্গে নিয়ে জিতেন্দ্র সিংহ পুনরায় এসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আর্জির কথা জানান। তবে সরকারের বার্তার পরও অনড় অবস্থান বজায় রাখেন বিরোধী নেতৃত্ব।আরও পড়ুন:
বিরোধীদের পক্ষ থেকে মূলত চারটি দাবি সামনে রেখে আন্দোলন চালিয়া যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তাঁদের দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের অবিলম্বে ইস্তফা, শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি অত্যাচারের দায় স্বীকার করে সরকারের ক্ষমা প্রার্থনা, সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিবৃতি প্রদান এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষানীতি নিয়ে বাদল অধিবেশনে আলোচনার সুযোগ দেওয়া।