পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক : অভিনয় ক্যারিয়ার থেকে গেরুয়া শিবিরের হাত ধরেছেন কঙ্গনা রানাউত। রাম মন্দির উদ্বোধনে মোদি সরকারের বন্দনায় অভিভূত ছিলেন অভিনেত্রী। লোকসভা ভোটের প্রার্থীর নাম ঘোষণা হতেই সেই তালিকায় স্থান পান কঙ্গনা। হিমাচলের মান্ডি থেকে বিজেপি প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তিনি।

প্রসঙ্গত,  কংগ্রেস নেতা বিজয় ওয়াদ্দেতিওয়ার দাবি করেন যে, কঙ্গনা রানাউত এর আগে গোমাংস ভক্ষণ করার কথা নিজের মুখেই স্বীকার করেছিলেন।

কংগ্রেসের এই দাবিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জলঘোলা হয়। এর পরেই এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে সোমবার অভিনেত্রী কাম রাজনীতিবিদ কঙ্গনা জানান, 'আমি গরুর মাংস খাই না, এমনকি রেড মিটও না। আমি একজন গর্বিত হিন্দু। আমার নামে মিথ্যা, ভিত্তিহীন গুজব ছড়ানো হচ্ছে। আমি বহু বছর ধরে যোগ ও আয়ুর্বেদিক চর্চায় বিশ্বাসী, তার প্রচার করে আসছি। এখন এই ধরনের কৌশল চালিয়ে আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে।
মানুষ আমাকে জানে যে, আমি একজন গর্বিত হিন্দু, কোনও কিছুই তাদের বিভ্রান্ত করতে পারে না, জয় শ্রী রাম'।

এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় এক নেটিজেন কঙ্গনার ২০১৯ সালের একটি পুরনো ট্যুইট ধরে তিনি বলেন, কঙ্গনা যোগভ্যাসের মাধ্যমে জীবন কাটান। অপর একজন লিখেছেন, গরুর মাংস ও রেট মিট খাওয়া খারাপ নয়। এটি কোনও ধর্মীয় বিষয়কে বোঝায় না। আগেই কঙ্গনা জানিয়েছিলেন, যোগীর জীবনযাত্রা বেছে নিয়েছেন, আট বছর ধরে তিনি নিরামিষ খান।

উল্লেখ্য, মহারাষ্ট্র বিধানসভায় কংগ্রেসের এক নেতা বিজয় ওয়াদেত্তিওয়ার তাকে নিয়ে একটি মন্তব্য করেছেন।

তিনি বলেছেন, কঙ্গনা আগে বলেছিলেন তিনি গরুর মাংস খান। তা সত্ত্বেও নির্বাচনে তাকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। কংগ্রেস নেতার এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন কঙ্গনা। কংগ্রেস নেতা বিজয়ের সমালোচনা করেছেন বিজেপি নেতা শাইনি এনসি। তিনি কংগ্রেসকে নারীবিরোধী দল বলে অভিহিত করেন। শাইনি এনসি বলেন, কংগ্রেস এবারই প্রথমবার এমন উদ্ভট মন্তব্য করছে এমন নয়।

প্রসঙ্গত, বরাবর বিতর্কিত মন্তব্য করার জন্য খ্যাতি আছে কঙ্গনা রানাউতের। সম্প্রতি 'নেতাজি দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন', মন্তব্যে ট্রোলড হন অভিনেত্রী।