পুবের কলম, ওয়েব ডেস্ক: তারিখ পে তারিখ। এই হল দেশের বিচারব্যবস্থা। বিচারপতির সংখ্যা যেমন একটি বড় ফ্যাক্টর তেমনই তাদের গড়িমসি ও বিচারব্যবস্থার সর্ষের মধ্যে থাকা ভূতও এজন্য দায়ী। বহু মানুষ বছরের পর বছর জেল খাটছেন।
আরও পড়ুন:
২০ বছর জেল খাটার পর সে পাচ্ছে বেকসুর খালাস।
এমনই করুণ অবস্থা। দেশের বিভিন্ন আদালতে জমে থাকা মামলার সংখ্যা গত বছর ৫ কোটি ছাড়িয়েছে। ‘ইন্ডিয়া জাস্টিস রিপোর্ট ২০২৫’ এই হিসাব দিয়েছে।আরও পড়ুন:
রিপোর্ট জানাচ্ছে, ২০২৪ সাল পর্যন্ত উচ্চ ও নিম্ন আদালতে মুলতুবি মামলার সংখ্যা ৫ কোটিরও বেশি। গত চার বছরে এই হার বৃদ্ধি হয়েছে ৩০ শতাংশ।
রিপোর্টের মতে, যা গভীর উদ্বেগের। দেশের বিচারব্যবস্থা এই গতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে ব্যর্থ।আরও পড়ুন:
রিপোর্টের পর্যবেক্ষণ, ই-ফাইলিং ও ডিজিটাইজেশনের মতো প্রযুক্তির সাহায্য উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হলেও সমস্যা দূর হচ্ছে না কাঠামোগত সমস্যার সমাধান না হওয়ায়। কাঠামোগত সংস্কারের অভাবের দরুন প্রযুক্তির ব্যবহারও মামলার জোয়ার ঠেকাতে পারছে না।
আরও পড়ুন:
ফলে জনমনে হতাশা বাড়ছে।
নড়ে যাচ্ছে বিচারব্যবস্থার উপর মানুষের ভরসা। কারাগারগুলোয় উপচে পড়ছে ভিড়। এ কারণে সৃষ্টি হচ্ছে নানা ধরনের সংকট।আরও পড়ুন:
২০২২ সালে রেকর্ডসংখ্যক বিচারক নিয়োগ সত্ত্বেও দেশের নিম্ন আদালতগুলোয় গড়ে ২১ শতাংশ ও উচ্চ আদালতে গড়ে ৩৩ শতাংশ পদ এখনো খালি। উচ্চ আদালতে প্রতি তিনজনে একটি ও নিম্ন আদালতে প্রতি পাঁচজনে একটি পদ শূন্য। ফলে বিচারপতিদের ওপর সৃষ্টি হচ্ছে অসহনীয় চাপ। বিচারব্যবস্থার ক্ষেত্রে ১৮ মাসে বছর হচ্ছে!