পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান কর্মসূচী। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা মতো ২ আগস্ট এই কর্মসূচী শুরু হয়। এই কর্মসূচীর গুরুত্ব বোঝাতে রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ প্রতিটি জেলা শাসককে মঙ্গলবার সকালে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করে বিশেষ নির্দেশ দিলেন। আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান কর্মসূচীকে সকলের সামনে তুলে ধরতে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দিলেন।
আরও পড়ুন:
মঙ্গলবার সকালে রাজ্যের মুখ্যসচিব জেলা শাসকদের জানালেন তিনটি বিষয়ের উপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান কর্মসূচীতে।
তিনটি নির্দেশের মধ্যে রয়েছে জেলায় জেলায় যে ক্যাম্পগুলি অনুষ্ঠিত হবে তার প্রচার আরও জোরদার করতে হবে। সাধারণ মানুষ যাতে সহজে বুঝতে পারেন সেই বিষয়টির উপর নজর রাখতে হবে। কবে কোথায় এই ক্যাম্প বসবে তা স্থানীয়দের অবগত করতে হবে। প্রয়োজনে মাইকিং করে প্রচার করতে হবে।আরও পড়ুন:
মুখ্য সচিবের নির্দেশে আরও বলা হয়েছে যখন এই ক্যাম্প বা শিবির চলবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের পুরসময় সেখানে উপস্থিত থেকে কাজ করতে হবে।
দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারদের উপস্থিত থাকা বাধ্যতা মূলক। মুখ্য সচিবের আরও একটি নির্দেশ যে সমস্ত এলাকায় এই শিবির বা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে সেই জায়জাগাটি যেন সকলের জন্য উপযোগী হয়। মানুষ সহজেই যাতে পৌঁছতে পারেন। প্রসংঙ্গত আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান কর্মসূচীতে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২.১৫ লক্ষ মানুষ অংশগ্রহণ করেছেন জেলায় জেলায় এই কর্মসূচীযে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে সেটি মঙ্গলবার সকালে সমস্ত জেলা শাসক ও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বোঝালেন মুখ্য সচিব।আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে প্রাথমিক পর্যায়ে ৬৩২ টি শিবির চালু হয়েছে।
প্রতিটি বুথের জন্য ১০ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ করে রাজ্য সরকার। লক্ষ্মীভাণ্ডার, বার্ধ্যক্য ভাতা-সহ মোট ৩৭ টি জনকল্যান মূলক কার্য্য কলাপ এই শিবিরে। রাজ্য সরকারের লক্ষ সরকারি পরিষেবা যাতে মানুষের দরজায় এসে পৌঁছে যায় এই লক্ষে এগোনো। ইতিমধ্যে এই কর্মসূচী রাজ্যে দৃষ্টন্তস্থাপন করেছে আগামী ২ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এই কর্মসূচী। ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের আগে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস তাদের ভোট ব্যাঙ্ক বাড়াতে এ এক নয়া কৌশল বলে মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।