আরও পড়ুন:
পুবের কলম প্রতিবেদক: রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে গেরুয়া শিবিরের নেতারা যতই গেলগেল রব তুলুন না কেন। কেন্দ্রের হিসেব কিন্তু বলছে অন্যকথা।
আরও পড়ুন:
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর দফতরের ইকনিক অ্যাডভাইসারি কাউন্সিলের তরফে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়। আক্ষরিক অর্থেই যাকে বলা যায় সমগ্র দেশের শিক্ষা সংক্রান্ত উন্নয়নের রিপোর্টকার্ড। সেখানেই যোগী রাজ্যকে অনেকটাই পিছনে ফেলে সবার আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলা।
আরও পড়ুন:
কেন্দ্রের এই রিপোর্টকার্ড নিঃসন্দেহে রাজ্যের শাসকদলকে বাড়তি অক্সিজেন দেবে একথা বলাই বাহুল্য। তৃণমূলের রাজ্যসভার সদস্য জহর সরকার ট্যুইটারে সেই রিপোর্ট শেয়ার করেন। একটি সর্বভারতীয় সংবাদপত্রে প্রকাশিত সংবাদের শিরোনামকে তুলে ধরেছেন জহর সরকার। এর পাশাপাশি তিনি নিজেও বলেছেন ১০ বছরের কম বয়সিদের পড়াশোনায় সারা দেশে শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ, অন্যদিকে সবচেয়ে তলায় রয়েছে উত্তরপ্রদেশ!’
আরও পড়ুন:
নিজের ট্যুইটে জহর সরকার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে শেয়ারও করেছেন।
কি এই রিপোর্ট, কি ভাবে কাজ ইকনিক অ্যাডভাইসারি কাউন্সিল। এই কাউন্সিল প্রকাশ করে ফাউন্ডেশনাল লিটেরেসি ও নিউমেরেসি রিপোর্ট ২০২৩। এক কথায় বলা যেতে পারে এটা দেশের সবরাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন কেমন হচ্ছে তার একটা রিপোর্ট কার্ড। খুব সম্প্রতি প্রকাশিত এই রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা অর্থাৎ ১০ বছরের কমবয়সীদের শিক্ষার ক্ষেত্রে কিন্তু দেশের শীর্ষ রাজ্যগুলির মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।
আরও পড়ুন:
সামগ্রীক ভাবে শীর্ষে রয়েছে পঞ্জাব যার নম্বর ৬৪.১৯।
অন্যদিকে বড় রাজ্যগুলির মধ্যে শীর্ষে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। পশ্চিমবঙ্গ ৫৪.৯৮ নম্বর পেয়েছে। প্রাথমিকে সবচেয়ে বেহাল দশা উত্তরপ্রদেশের। যোগী রাজ্যের প্রাপ্ত নম্বর মাত্র ৩৭. ৪৬। মোট পাঁচটি সূচকের ভিত্তিতে রাজ্যগুলিকে রিপোর্টে নম্বর দেওয়া হয়। তার মধ্যে রয়েছে, শিক্ষাসংক্রান্ত ব্যবস্থাপনা, পড়াশোনার সুবিধা পাওয়া, পড়ুয়াদের স্বাস্থ্য, সামগ্রিক পরিচালন ব্যবস্থা ও পড়াশোনার ফলে প্রাপ্ত শিক্ষার মান এই সব কটি ক্যাটগরিতেই বাংলা টেক্কা দিয়েছে উত্তরপ্রদেশকে।আরও পড়ুন: