নিরাপত্তা নিশ্চয়তা না দিয়েই ইউক্রেনের খনিজ দখল
আরও পড়ুন:
ওয়াশিংটন: শুক্রবার আমেরিকায় যাচ্ছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। বুধবার এ কথা জানিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দ্বিতীয় বার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর বুধবারই প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকে বসেন ট্রাম্প। ওই বৈঠকেই জেলেনস্কির ওয়াশিংটন সফরের কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি ইউক্রেনের জন্যেও একটি চমৎকার চুক্তি।
কারণ আমরা সেখানে থাকব। আমাদের উপস্থিতির কারণে কেউ ঝামেলা করবে না।’ তবে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, ওয়াশিংটন কিয়েভকে আনুষ্ঠানিক নিরাপত্তা গ্যারান্টি দেবে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে নিরাপত্তা গ্যারান্টি দেব না। এটি ইউরোপের দায়িত্ব, কারণ ইউক্রেন তাদের প্রতিবেশী। তবে আমরা নিশ্চিত করব যে সব কিছু ভালোভাবে চলবে।’আরও পড়ুন:
যুদ্ধ শেষ করতে ইউক্রেনকে কী কী ছাড় দিতে হবে, এমন প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, ‘ইউক্রেন ন্যাটোতে যোগ দিতে পারবে না;এটা ভুলে যেতে হবে।’ প্রসঙ্গত, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইউক্রেনের ভবিষ্যতে ন্যাটো সদস্যপদ সমর্থন করেছিলেন, যদিও নির্দিষ্ট কোনও সময়সীমা দেননি তিনি।
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে, জেলেনস্কি জানিয়েছেন, তিনি এখনও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চান। আর যে প্রাথমিক চুক্তিটি হয়েছে সেটি আদতে একটি কাঠামো বা খসড়া চুক্তি মাত্র।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জেলেনস্কি বলেন, ‘আমি চুক্তিতে ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তার নিশ্চয়তা নিয়ে একটি বাক্য চাই। এরকম একটি বাক্য সেখানে থাকাটা জরুরি।’ চুক্তির খসড়ায় একটি যৌথ তহবিল গঠনের কথা বলা হয়েছে। যেখানে ইউক্রেনে পাওয়া বিরল খনিজ ও অন্যান্য মূল্যবান খনিজ পদার্থের খনন থেকে অর্জিত রাজস্ব রাখা হবে, পাশাপাশি তেল ও গ্যাস বিক্রি থেকে অর্জিত রাজস্বও এতে থাকবে। এর আগে, ট্রাম্প দাবি করেন, ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তার বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রকে বিরল খনিজ পদার্থ সরবরাহ করতে হবে। মূলত, তাঁর দাবির কাছে নতি স্বীকার করেই ইউক্রেন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করতে যাচ্ছে।