পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে আরজিকর কাণ্ড নিয়ে নতুন করে তদন্তের গতি বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। ঘটনার তদন্তের স্বার্থে কয়েকদিন আগেই সিবিআইয়ের একটি দল আরজিকর হাসপাতাল পরিদর্শন করেছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এবার উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটির শ্মশানে পৌঁছল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। ঘটনার রাতে শ্মশানে ঠিক কী ঘটেছিল, তা জানতেই বুধবার সিবিআইয়ের দল সেখানে উপস্থিত হয়।
আরও পড়ুন:
অভিযোগ উঠেছিল যে, আরজিকর কাণ্ড ঘটার পর তরুণী চিকিৎসকের দেহ স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের উপস্থিতিতে তড়িঘড়ি করে দাহ করা হয়েছিল। এদিন সিবিআই আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সেই সময়ের প্রতিটি মুহূর্ত সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেন। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার প্রতিনিধিরা শ্মশানের ইনচার্জ ভোলানাথ পাত্রকে প্রায় ২০ মিনিট ধরে জেরা করেন এবং ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ জানতে চান।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, মৃত চিকিৎসকের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছিল যে, ময়নাতদন্তের পরেই দেহ দাহ করার জন্য তৃণমূল নেতাদের চাপে শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
তাঁদের দাবি অনুযায়ী, তৎকালীন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ ও পানিহাটির 'কাকু' নামে পরিচিত সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় এই প্রক্রিয়ায় চাপ সৃষ্টি করেছিলেন। শুধুমাত্র তাই নয়, তৃণমূল কর্মীরা শ্মশান চত্বর ঘিরে রেখেছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে। আরজিকর কাণ্ড সংক্রান্ত এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগের ভিত্তিতেই দ্রুত সৎকার করা হয়েছিল বলে দাবি পরিবারের। এ বিষয়ে ভোলানাথ পাত্র জানান, ঘটনার রাতে কী হয়েছিল, তা সিবিআই জানতে চেয়েছিল এবং তিনি সব তথ্যই তাদের জানিয়েছেন। তিনি আরও জানান, অন্য দুটি মৃতদেহ দাহ করার আগেই নির্যাতিতার দেহ সৎকার করা হয়েছিল।