০২ মার্চ ২০২৬, সোমবার, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

    কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন সিদ্দারামাইয়া! উপমুখ্যমন্ত্রীর পদে শিবকুমার, শপথ  বৃহস্পতিবার

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: সিদ্দারামাইয়া নাকি শিবকুমার! কে হবে কর্নাটকের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী? তা নিয়ে কম জলঘোলা  হয়নি। তারই মধ্যে এল বড় খবর। ফের কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসতে চলেছেন সিদ্দারামাইয়া এমনটাই জানা গেছে সূত্র মারফৎ! অন্যদিকে উপমুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকবেন শিবকুমার। দলীয় সূত্রে খবর, আজই কর্নাটকের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করা হবে। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার বিকেলের মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করবে দল।

উল্লেখ্য, ২০১৫ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সিদ্দারামাইয়া। মঙ্গলবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গের সঙ্গে বৈঠকের পর এবার মুখ্যমন্ত্রী হতে চাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন শিবকুমার। যদিও মুখ্যমন্ত্রী না হলেও, পদত্যাগ যে তিনি করবেন না, তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।

কংগ্রেস নেতা ডি কে শিবকুমার এবং সিদ্দারামাইয়া মুখ্যমন্ত্রী পদের দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। তাঁরা দুজনই মঙ্গলবার দিল্লিতে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করেন। মঙ্গলবার রাহুল গান্ধি কংগ্রেস প্রধান মল্লিকার্জুন খাড়গের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে রণদীপ সুরজেওয়ালাও উপস্থিত ছিলেন।

২০১৩ সালে এই কেন্দ্র থেকে জিতেই কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন সিদ্দারামাইয়া। ২০২৩ সালে আবারও সেই কেন্দ্র থেকে জিতেছেন তিনি। আর ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়িয়ে ৭৫ বছরের পিতাকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসাতে জোর তৎপরতা শুরু করেছেন পুত্র। ২০১৮ সালে বরুণা বিধানসভাটি ছেলেকে ছেড়ে দু’টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন প্রবীণ এই কংগ্রেস নেতা। চামুণ্ডেশ্বরী আসন থেকে হেরে গেলেও, বাদামি থেকে জিতেছিলেন সিদ্দারামাইয়া। কিন্তু সে বার কংগ্রেস নেতৃত্ব মুখ্যমন্ত্রীর আসন জোটের স্বার্থে জেডি (এস) নেতা কুমারস্বামীকে ছেড়ে দেওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেননি তিনি। কিন্তু এ বার পরিস্থিতি ভিন্ন। কংগ্রেস একাই ভোটে লড়াই করেছে। জেডিএস ভোটের ময়দানে আলাদা লড়াই করেছে। কংগ্রেস একাই নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। সরকার গড়তে তাদের কারও সাহায্য লাগবে না। সিদ্দারমাইয়ার সঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ডি কে শিবকুমারের গোলমাল রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সির লড়াইয়ে তিনিও ছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কংগ্রেস হাই কমান্ড সিদ্দারামাইয়াকেই মুখ্যমন্ত্রী পদে বেছে নিল।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো সমঝোতা নয়, স্পষ্ট বার্তা লারিজানির

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

    কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন সিদ্দারামাইয়া! উপমুখ্যমন্ত্রীর পদে শিবকুমার, শপথ  বৃহস্পতিবার

আপডেট : ১৭ মে ২০২৩, বুধবার

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: সিদ্দারামাইয়া নাকি শিবকুমার! কে হবে কর্নাটকের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী? তা নিয়ে কম জলঘোলা  হয়নি। তারই মধ্যে এল বড় খবর। ফের কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসতে চলেছেন সিদ্দারামাইয়া এমনটাই জানা গেছে সূত্র মারফৎ! অন্যদিকে উপমুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকবেন শিবকুমার। দলীয় সূত্রে খবর, আজই কর্নাটকের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করা হবে। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার বিকেলের মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করবে দল।

উল্লেখ্য, ২০১৫ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সিদ্দারামাইয়া। মঙ্গলবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গের সঙ্গে বৈঠকের পর এবার মুখ্যমন্ত্রী হতে চাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন শিবকুমার। যদিও মুখ্যমন্ত্রী না হলেও, পদত্যাগ যে তিনি করবেন না, তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।

কংগ্রেস নেতা ডি কে শিবকুমার এবং সিদ্দারামাইয়া মুখ্যমন্ত্রী পদের দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। তাঁরা দুজনই মঙ্গলবার দিল্লিতে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করেন। মঙ্গলবার রাহুল গান্ধি কংগ্রেস প্রধান মল্লিকার্জুন খাড়গের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে রণদীপ সুরজেওয়ালাও উপস্থিত ছিলেন।

২০১৩ সালে এই কেন্দ্র থেকে জিতেই কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন সিদ্দারামাইয়া। ২০২৩ সালে আবারও সেই কেন্দ্র থেকে জিতেছেন তিনি। আর ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়িয়ে ৭৫ বছরের পিতাকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসাতে জোর তৎপরতা শুরু করেছেন পুত্র। ২০১৮ সালে বরুণা বিধানসভাটি ছেলেকে ছেড়ে দু’টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন প্রবীণ এই কংগ্রেস নেতা। চামুণ্ডেশ্বরী আসন থেকে হেরে গেলেও, বাদামি থেকে জিতেছিলেন সিদ্দারামাইয়া। কিন্তু সে বার কংগ্রেস নেতৃত্ব মুখ্যমন্ত্রীর আসন জোটের স্বার্থে জেডি (এস) নেতা কুমারস্বামীকে ছেড়ে দেওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেননি তিনি। কিন্তু এ বার পরিস্থিতি ভিন্ন। কংগ্রেস একাই ভোটে লড়াই করেছে। জেডিএস ভোটের ময়দানে আলাদা লড়াই করেছে। কংগ্রেস একাই নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। সরকার গড়তে তাদের কারও সাহায্য লাগবে না। সিদ্দারমাইয়ার সঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ডি কে শিবকুমারের গোলমাল রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সির লড়াইয়ে তিনিও ছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কংগ্রেস হাই কমান্ড সিদ্দারামাইয়াকেই মুখ্যমন্ত্রী পদে বেছে নিল।