আরও পড়ুন:
আহমেদাবাদ, ২৬ জুলাই: গুজরাতে বিষমদ খেয়ে মৃত্যু মিছিল। প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে ২৮ জন। অনেকের অবস্থাই অত্যন্ত আশংকাজনক। তাই বাড়তে পারে মৃতের সংখ্যা।
আরও পড়ুন:
যাঁরা বিষমদ খেয়ে প্রাণ হারিয়েছেনে তাদের বেশিরভাগ আহমেদাবাদ এবং তার পাশ্ববর্তী বোটাড জেলার বাসিন্দা। তবে যে গুজরাতে মদ্যপান এবং বিক্রি কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ সেই রাজ্যে কি মদ খেয়ে এতগুলো মানুষের জীবন চলে গেল। বিরোধীদের দাবি খাতায় কলমে বন্ধ হলেও পুলিশ ঘুষ দিয়ে সবই চলে রমরমিয়ে।
ইতিমধ্যেই মদ বিক্রেতার বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে খুনের অভিযোগ।আরও পড়ুন:
জানা যাচ্ছে বোটেড জেলাতেই ১৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। চিকিৎসা চলাকালীন ধন্ধুকায় আরও পাঁচ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। ভাবনগরের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে প্রায় ৩০ জনের চিকিৎসা চলছে। তবে সকলের অবস্থাই অত্যন্ত আশংকাজনক।
গুজরাতের ডিজিপি আশিষ ভাটিয়া জানিয়েছেন মিথাইল আ্যলকোহল খাওয়ার ফলেই চরমে উঠেছে বিষক্রিয়া। তাই এতজন একসঙ্গে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন।
ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সিট গঠনের।আরও পড়ুন:
গুজরাতের শাসকদল বিজেপি কে একহাত নিয়েছেন বিরোধীরা। কংগ্রেস বিধায়ক অমিত ছাভড়া সরাসরি বিজেপিকে দায়ি করেছেন। অমিতের দাবি বিজেপি দায় এড়াতে পারেনা। স্থানীয় পুলিশ প্রতি মাসে মদ বিক্রেতাদের থেকে মোটা মাসোহারা পেত। না হলে এহেন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটতে পারেনা।
আরও পড়ুন:
https://twitter.com/ANI/status/1551838880390737922?
s=20&t=DPJy2IwnGLvNdgNzcDImcAআরও পড়ুন:
গুজরাতে বিষমদে মৃত্যু মিছিলের ঘটনায় সরব হয়েছেন আপ সুপ্রিমো তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালও। হাসপাতালে অসুস্থদের দেখতে যেতে পারেন কেজরি। মঙ্গলবার কেজরি বলেন “কেবলমাত্র খাতায় কলমে মদ বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমরা ক্ষমতায় এলে তা বাস্তবে রূপায়ণ করে দেখাতাম।”
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে গুজরাতের বিজেপি নেতা অল্পেশ ঠাকুর বলেছেন মদ বিক্রি বন্ধের আইন আরও কঠোর ভাবে প্রয়োগ করা প্রয়োজন। ব্যাপারটি বারবার প্রশাসনের নজরে আনার চেষ্টা করছি আমরা।”উল্লেখ্য চলতি বছরের মার্চ মাসেই গুজরাতে বিষমদ খেয়ে মৃত্যু হয় ৬ জনের।
আরও পড়ুন:
ছবিঃ প্রতীকী
আরও পড়ুন: