০৩ মার্চ ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রামনবমী ঘটনায় এনআইএ তদন্ত, বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট

পারিজাত মোল্লা:  শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট বহাল রাখল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ এর রায়। রামনবমীতে হিংসার ঘটনার তদন্তের ভার এনআইএ-কে দেওয়ার বিরোধিতা করে রাজ্য সরকারের আবেদনে এদিন সাড়া দিল না সুপ্রিম কোর্ট।

কলকাতা হাইকোর্টের দেওয়া এনআইএ তদন্তের নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ চেয়ে রাজ্য সরকারের তরফে যে আর্জি জানানো হয়েছিল, তা শীর্ষ আদালত শুক্রবার  খারিজ করে দেয়।

আরও পড়ুন: এসআইআর মামলায় ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী

জুন মাসে গ্রীষ্মের ছুটির পরে এই মামলার শুনানি হবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।

আরও পড়ুন: ‘বিচার বিভাগ আজ রক্তাক্ত’: পাঠ্যবই বিতর্কে কেন্দ্রকে তীব্র ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের

আদালত সূত্রে প্রকাশ,  রামনবমীর মিছিল ঘিরে হাওড়ার শিবপুর, হুগলির রিষড়া, উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলা-সহ কয়েকটি এলাকায় হিংসার ঘটনা নিয়ে গত ২৭ এপ্রিল এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর জনস্বার্থ মামলার পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ রায় দিয়ে জানায়, -‘ আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে এ সংক্রান্ত সমস্ত নথি এনআইএ-কে হস্তান্তর করতে হবে’।

আরও পড়ুন: “বিচারব্যবস্থাকে কালিমালিপ্ত করা সহ্য করব না”: পাঠ্যবইয়ে ‘বিচারবিভাগীয় দুর্নীতি’ নিয়ে ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট

তবে এই  রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের   দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য। এদিন সওয়াল-জবাব পর্বে  রাজ্যের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি জানায়, -‘ জনস্বার্থ মামলায় তদন্তের ভার এনআইএ-কে দেওয়া যায় না। দেশের নিরাপত্তা এবং সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা ছাড়া সাধারণ হিংসার মামলায় এনআইএ আইন প্রয়োগ করা যায় না’।

বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জনস্বার্থ মামলা করছেন অভিযোগ করে হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদনে জানানো হয়েছিল শীর্ষ আদালতের কাছে। কিন্তু শুক্রবার সেই আবেদন নাকচ হয়ে গেল। পুলিশ অফিসারদের তলব করা নিয়ে রাজ্যের অভিযোগ ছিল, তবে কেন্দ্রের যুক্তি তদন্তের স্বার্থে তথ্য সংগ্রহের জন্য জেরা প্রয়োজন।

সর্বধিক পাঠিত

‘এখন শুধু নাম বাদ যাচ্ছে, ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশকারীদের রাজ্যছাড়া করব’, হুঙ্কার অমিত শাহের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রামনবমী ঘটনায় এনআইএ তদন্ত, বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট

আপডেট : ২০ মে ২০২৩, শনিবার

পারিজাত মোল্লা:  শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট বহাল রাখল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ এর রায়। রামনবমীতে হিংসার ঘটনার তদন্তের ভার এনআইএ-কে দেওয়ার বিরোধিতা করে রাজ্য সরকারের আবেদনে এদিন সাড়া দিল না সুপ্রিম কোর্ট।

কলকাতা হাইকোর্টের দেওয়া এনআইএ তদন্তের নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ চেয়ে রাজ্য সরকারের তরফে যে আর্জি জানানো হয়েছিল, তা শীর্ষ আদালত শুক্রবার  খারিজ করে দেয়।

আরও পড়ুন: এসআইআর মামলায় ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী

জুন মাসে গ্রীষ্মের ছুটির পরে এই মামলার শুনানি হবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।

আরও পড়ুন: ‘বিচার বিভাগ আজ রক্তাক্ত’: পাঠ্যবই বিতর্কে কেন্দ্রকে তীব্র ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের

আদালত সূত্রে প্রকাশ,  রামনবমীর মিছিল ঘিরে হাওড়ার শিবপুর, হুগলির রিষড়া, উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলা-সহ কয়েকটি এলাকায় হিংসার ঘটনা নিয়ে গত ২৭ এপ্রিল এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর জনস্বার্থ মামলার পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ রায় দিয়ে জানায়, -‘ আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে এ সংক্রান্ত সমস্ত নথি এনআইএ-কে হস্তান্তর করতে হবে’।

আরও পড়ুন: “বিচারব্যবস্থাকে কালিমালিপ্ত করা সহ্য করব না”: পাঠ্যবইয়ে ‘বিচারবিভাগীয় দুর্নীতি’ নিয়ে ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট

তবে এই  রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের   দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য। এদিন সওয়াল-জবাব পর্বে  রাজ্যের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি জানায়, -‘ জনস্বার্থ মামলায় তদন্তের ভার এনআইএ-কে দেওয়া যায় না। দেশের নিরাপত্তা এবং সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা ছাড়া সাধারণ হিংসার মামলায় এনআইএ আইন প্রয়োগ করা যায় না’।

বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জনস্বার্থ মামলা করছেন অভিযোগ করে হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদনে জানানো হয়েছিল শীর্ষ আদালতের কাছে। কিন্তু শুক্রবার সেই আবেদন নাকচ হয়ে গেল। পুলিশ অফিসারদের তলব করা নিয়ে রাজ্যের অভিযোগ ছিল, তবে কেন্দ্রের যুক্তি তদন্তের স্বার্থে তথ্য সংগ্রহের জন্য জেরা প্রয়োজন।