দেবশ্রী মজুমদার, শান্তিনিকেতনঃ পূর্ণমান একশো। মেধা তালিকায় ফল প্রকাশে তাজ্জব বনে গেলেন অনেকেই। পূর্ণমান ছাড়িয়ে কেউ পেয়েছেন ২০০, কেউবা ১৯৮, কেউ বা ১৫১ নম্বর। অবাস্তব মনে হলেও এটাই বাস্তব বিশ্বভারতীতে। আর এই নিয়ে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।
আরও পড়ুন:
বিশ্বভারতীর বিনয় ভবনে এমএড (M.Ed) প্রবেশিকা পরীক্ষার মেধা তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যেবেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইটে সেই মেধা তালিকা আপলোড করা হয়েছে। সেই মেধাতালিকা দেখেই কার্যত চক্ষু চড়কগাছ পড়ুয়াদের।
আরও পড়ুন:
প্রকাশিত মেধা তালিকায় দেখা যাচ্ছে ভর্তির পরীক্ষা দেওয়া পড়ুয়াদের মধ্যে কেউ কেউ একশোর মধ্যে পেয়েছেন ২০০, কেউবা ১৯৮, কেউ ১৫১। এই আজব নাম্বার দেখে বিভ্রান্ত পড়ুয়ারাও।
আরও পড়ুন:
বিশ্বভারতী সূত্রে খবর বিনয় ভবনের এমএড (M.Ed) কোর্সে ভর্তি হবার জন্য ২৫ শতাংশ আসন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সংরক্ষিত থাকে। বাকি ৭৫ শতাংশ আসনে বাইরের ছাত্রছাত্রীরা ভর্তি হতে পারেন। ১০০ নম্বরের প্রবেশিকা পরীক্ষার ক্ষেত্রে ৬০ নম্বর নির্ধারিত হয় প্রবেশিকা পরীক্ষায় বাকি চল্লিশ নম্বর পূর্বতন বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল ও ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
আরও পড়ুন:

সেই বিতর্কিত মেধা তালিকা
আরও পড়ুন:
এই ১০০ নম্বর পরীক্ষার মধ্যে কিভাবে পড়ুয়ারা তার বেশি নম্বর পেল কিভাবে পেল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও এই নিয়ে কোনো সদুত্তর নেই বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের কাছে।
আরও পড়ুন:
তবে মেধা তালিকায় যাদের নাম বেরিয়েছে তারা নিজেরাও এই নম্বর দেখে নিজেদের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছেন না। এসব দেখে তাদের চোখ এখন মাথায় উঠেছে। আল প্রকাশিত এই মেধা তালিকার প্রতিটা পাতাতেই রয়েছে বিভাগীয় প্রধানের সই এবং সিল।
আরও পড়ুন:
এই ঘটনা নিয়ে অন্য আশঙ্কা প্রকাশ করছেন পড়ুয়াদের একাংশ। তাদের আশঙ্কা এভাবে কি পিছনের দরজা দিয়ে ভর্তির প্রক্রিয়া চলছে?
আরও পড়ুন:
শান্তিনিকেতনে হাজারো বিতর্কের সাথে এবার যুক্ত হলো এই নতুন বিতর্ক।