পুবের কলম প্রতিবেদক: শুক্রবার কলকাতা বা রাজ্যের আকাশে চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে শনিবার রোযা শুরু হচ্ছে না। আরবি মাস ৩০ দিনের হয়, ফলে অবশ্যই রাজ্যে রবিবার থেকেই রমযান মাস শুরু হবে। এরই আগে রীতিমতো প্রস্তুত কলকাতা পুরনিগম। বড়দিন, পুজো বা অন্যান্য উৎসবের মতো রমযানকে কেন্দ্র করেও সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে কলকাতা পুর-কর্তৃপক্ষ।

মেয়র ফিরহাদ হাকিমের নির্দেশে শহরের আলো, সাফাই, রাস্তা ও জল সরবরাহ নিয়ে বিশেষ নজর দেবে পুর-কর্মীরা। পুরনিগমের সূত্রে জানা গিয়েছে, রমযান মাসে মানুষের প্রচুর জল প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে সেহরির সময় জলের দরকার হয়। এ নিয়ে বিশেষ বন্দোবস্ত করা হবে। সেহরির সময় ভোরের বেলা যেমন জল দেওয়া হবে, তেমনি দিনের বেলা অন্যদের যাতে সমস্যা না হয় সেদিকে নজর রাখবে পুরনিগম।
কিছু কিছু এলাকায় তিনদিনেই খতম তারাবিহ নামায হয়, সেখানে থাকবে জলের ব্যবস্থা। মসজিদ এলাকায় ড্রেন, রাস্তা ও পরিসর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ক্ষেত্রে আগেই সবাইকে জানানো হয়েছে। কোথাও কোনও সমস্যা থাকলে স্থানীয় কাউন্সিলররা তড়িঘড়ি দেখবেন। এক প্রশ্নের জবাবে পুরনিগমের মেয়র পারিষদ আমির উদ্দিন ববি বলেন, মেয়র ফিরহাদ হাকিম খুব ভালোভাবে কাজ করছেন। উনি আমাদের দেখতে বলেছেন।
জল, আলো বা অন্যান্য দিকে যাতে সমস্যা না হয় আমরা সেটা দেখব। তবে পার্ক সার্কাসের কিছু এলাকার রাস্তা নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন নয়। এ নিয়ে পুর-কর্তৃপক্ষের নজর দেওয়ার দাবি তুলছেন স্থানীয়রা। অন্যদিকে, রাজ্য সরকার ২০১১ সালের ২ আগস্ট এক বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল, তাতে রোযাদার মুসলিম কর্মচারীদের সাড়ে তিনটার সময় ছুটির অনুমতি দেওয়া হয়। এবারও সেই সুবিধা পাবেন মুসলিম কর্মচারীরা। এ নিয়ে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়-সহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান পৃথক নোটিশ জারি করেছে।