পুবের কলম প্রতিবেদক: যেখানে স্টপেজ নয় সেখানে দাঁড়িয়েই যাত্রী তুলতে দেখা যায় বেসরকারি বাস চালকদের। বাড়তি মুনাফার আশায় এমন কাজ তাঁরা করে থাকেন। তার ফলে পথ দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বাড়ে। উলটে বাস চালকরা যুক্তি দেখান, যাত্রীরাই তো হাত দেখান। তাই দাঁড়াতে হয়। পুলিশ অবশ্য মনে করছে, এটা নিছকই অজুহাত মাত্র। এটা চলতে পারে না।
আরও পড়ুন:
আর একমাসও বাকি নেই। রাজ্যজুড়ে পালিত হবে দুর্গাপুজো। ইতিমধ্যেই শহরের বুকে প্যান্ডেল তৈরির কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। দুর্গাপুজোয় শহরের বুকে চাপ বাড়ে।
তাই আগাম নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো করা হচ্ছে। তার মধ্যেই শহরে বেড়ে চলেছে পথ দুর্ঘটনা। আর তার জেরে পথচারীদের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে। তাই এবার ট্রাফিক ব্যবস্থা যেমন ঢেলে সাজানো হচ্ছে তেমনই বাস চালকদেরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। কারণ বাস চালকরা যেখান সেখান থেকে যাত্রী তুলে থাকে। তাই বাস চালকদের নির্দিষ্ট স্টপেজে দাঁড়িয়ে যাত্রী তুলতে কড়া বার্তা দিলেন কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের ডেপুটি কমিশনার ইয়েলওয়াড শ্রীকান্ত জগন্নাথরো।আরও পড়ুন:
এদিকে যেখানে স্টপেজ নয় সেখানে দাঁড়িয়েই যাত্রী তুলতে দেখা যায় বেসরকারি বাস চালকদের। বাড়তি মুনাফার আশায় এমন কাজ তাঁরা করে থাকেন। তার ফলে পথ দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বাড়ে। উলটে বাস চালকরা যুক্তি দেখান, যাত্রীরাই তো হাত দেখান। তাই দাঁড়াতে হয়।
আরও পড়ুন:
পুলিশ অবশ্য মনে করছে, এটা নিছকই অজুহাত মাত্র। তাই বাণিজ্যিক গাড়ির চালকদের কর্মশালায় গিয়ে ট্রাফিক পুলিশের ডেপুটি কমিশনার বলেন, ‘একজন যাত্রী কম তুললে আপনাদের খুব বেশি হলে ১০ টাকার ক্ষতি হবে। কিন্তু যাত্রী তোলার জন্য যত্রতত্র দাঁড়ালে একজনের মৃত্যু হলে সে ক্ষতি পূরণ করা যায় না। বিষয়টি ভেবে দেখা দরকার।’ অন্যদিকে অযথা হর্ন বাজানো নিয়েও কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের ডেপুটি কমিশনার ইয়েলওয়াড শ্রীকান্ত জগন্নাথরো মুখ খুলেছেন। এই অযথা হর্ণ বাজানোর জেরে অনেকে রাস্তায় চমকে যান। ভয় পেয়ে সরতে গিয়ে পথ দুর্ঘটনার শিকার হন। এটা চলতে পারে না বলেই মনে করেন তিনি। আর এই বিষয়ে ট্রাফিক কর্তা বলেন, ‘বিনা প্রয়োজনে অনেকে হর্ন বাজান। এমনকী যানজটে আটকে থাকার সময়ও কেউ কেউ অযথা হর্ন বাজান। তাতে কোনও লাভ হয় না।
বরং ক্ষতি হয়। এটা বোঝা উচিত যানজটে আটকে থাকার সময় হর্ন বাজালে গাড়ির পাখা গজায় না।’ রোটারি সদনে দক্ষিণ ট্রাফিক গার্ডের সঙ্গে যৌথভাবে এক কর্মশালার আয়োজন হয়। সেখানেই এমন কড়া বার্তা দিয়েছেন তিনি।আরও পড়ুন:

আর কী জানা যাচ্ছে? এই কর্মশালায় প্রায় ১৩০ জন গাড়িচালক যোগ দিয়েছিলেন। ট্রাফিক ট্রেনিং স্কুলের অফিসাররা তাঁদের ট্রাফিক আইন বোঝান। পথ দুর্ঘটনা এড়াতে ভিডিয়ো দেখান দক্ষিণ ট্রাফিক গার্ডের ওসি নীলেশ চৌধুরী। ডিসি (ট্রাফিক) শ্রীকান্ত বুঝিয়ে বলেন, ‘আমরা একটা মোবাইল ফোন কিনলে তার সুরক্ষার জন্য স্ক্রিন গার্ড লাগাই। মোটরবাইক চালানোর সময় হেলমেট পরি। অনেকেই নিয়ম ভেঙে দেয়। তখন ফাইন করলে কর্তব্যরত সার্জেন্টের সঙ্গে ঝামেলা করেন। এটা উচিত নয়। এগুলি মানুষের আচরণগত সমস্যা।’