পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ কেন্দ্রীয় বাজেট-২০২২। বাজেট পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ডিজিটাল ব্যাঙ্কিংয়ে উৎসাহে ৭৫ জেলায় ৭৫ টি ডিজিটাল ব্যাঙ্কিং শাখা খোলা হবে। তাঁর সংযোজন, ১০০ শতাংশ পোস্ট অফিসই কোর ব্যাঙ্কিংয়ের আওতায় আসবে। অনলাইনেই ব্যাঙ্ক থেকে পোস্ট অফিসে টাকা লেনদেন করা যাবে। সুবিধা মিলবে এটিএম, নেট ব্যাঙ্কিংয়েরও।

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ৪৮ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা। ৮০ লক্ষ বাড়ি তৈরির লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে এই যোজনার অধীনে। এছাড়াও পানীয় জলে ৫০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ।

সস্তা হচ্ছে

  • স্টিলের উপজাত দ্রব্য
  • মোবাইল ফোন
  • চার্জার
  • কৃষি সরঞ্জাম
  • পোশাক
  • হীরে এবং মূল্যবান রত্ন
  • ইমিটেশনের গয়না
  • জুতো
  • চামড়ার ব্যাগ
  • পেট্রোলিয়াম পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় রাসায়নিক।
  • দাম বাড়ছে
    • বিদেশি ছাতা
    • বিদেশ থেকে আমদানিকৃত যে কোনও পণ্য
 

এক নজরে কেন্দ্রীয় বাজেট বিস্তারিতভাবে 

কর ব্যবস্থার সরলীকরণ করা হবে। প্রত্যক্ষ কর ব্যবস্থার সংস্কারে বিশেষ জোর দেওয়া হবে। করদাতারা আপডেটেড রিটার্ন ফাইল করতে পারবেন ২ বছরের মধ্যে। ডিজিটাল মুদ্রা ব্যবস্থাতেও জোর দিল কেন্দ্র। চলতি বছর থেকেই বাজারে ডিজিটাল মুদ্রা আনবে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া। দু বছরের মধ্যে আপডেট রির্টান ফাইল জমা। ন্যাশনাল পেনসন স্কিমে সামঞ্জস্য আনার উদ্যোগ

বিদেশ ভ্রমণকারী নাগরিকদের স্বার্থে নতুন প্রযুক্তির ই পাসপোর্ট পরিষেবার ঘোষণা।

ই-পাসপোর্ট সিস্টেমে দেওয়া হচ্ছে বিশেষ জোর।

এছাড়া গ্রামাঞ্চলে ব্রডব্যান্ড পরিষেবাতেও জোর দেওয়া হচ্ছে। ২০২৫ সালের মধ্যে সব গ্রামে অপটিকাল ফাইবার বসবে। ভারত নেট প্রকল্পে জোর। ৫জি পরিষেবার পরিকাঠামোয় জোর। মার্চ মাসের মধ্যে দেশে ৫জি স্পেকট্রাম নিলাম শুরু হবে। প্রতিরক্ষা খাতে গবেষণার জন্য ২৫ শতাংশ বরাদ্দ বাজেট।

এখনও পর্যন্ত ৮০ লক্ষ মানুষ পিএম আবাস যোজনার সুবিধা পেয়েছেন৷ টেলি মেন্টাল হেলথ প্রোগ্রাম শুরু করা হবে।

অ্যানিমেশন, কমিকস, গেমিংয়ে টাস্কফোর্স গঠন করা হবে।বিভিন্ন ক্ষেত্রে পেমেন্টের জন্য ই-বিল ব্যবস্থা চালু হবে। ব্যবসার উন্নতিতে সিঙ্গল উইন্ডো সিস্টেম, একটি ফর্মে সমস্ত অনুমোদন সম্ভব হবে।

নার্বাডের মাধ্যমে কৃষির সঙ্গে যুক্ত স্টার্টআপগুলিকে সাহায্য করা হবে।

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে অত্যাধুনিক পরিকাঠামোয় জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। সৌরবিদ্যুতে ১৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা আর্থিক বরাদ্দের ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী।

চালু হবে  ৫জি টেকনোলজি।

২০২৫ সালের মধ্যে দেশের সব গ্রামে অপটিক্যাল ফাইবার বসানোর ঘোষণা।

চিংড়ি মাছের চাষে বিশেষ ছাড়ের প্রস্তাব, সস্তা হচ্ছে কৃষি যন্ত্রপাতি

সস্তা হচ্ছে পোশাক চামড়াজাত দ্রব্য

সস্তা হচ্ছে জুতো, হীরের গয়না

দাম বাড়ছে ইস্পাতজাত দ্রব্যের

সস্তা হচ্ছে মোবাইল চার্জার

ন্যাশনাল পেনশন স্কিমে সামঞ্জস্য আনার উদ্যোগ

সমস্ত মন্ত্রকেই ই-বিল চালুর উদ্যোগ। জমির রেকর্ড রাখতেও ডিজিটাল পদ্ধতির ব্যবহার করা হবে। ব্যাটারিচালিত পরিবহণ ব্যবস্থার উদ্যোগ। নগর পরিকল্পনায় বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন। উত্তর পূর্বের উন্নয়নে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

২ লক্ষ অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের উন্নয়নের কথা ঘোষণা। করোনা অতিমারিতে মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর জন্য ডিজিটাল স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় জোর। ন্যাশনাল টেলিমেন্টাল হেলথ সেন্টার তৈরি হবে। দেশজুড়ে তৈরি হবে ২৩টি হেলথ সেন্টার।

২ লক্ষ অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের উন্নয়নের কথা ঘোষণা। করোনা অতিমারিতে মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর জন্য ডিজিটাল স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় জোর। ন্যাশনাল টেলিমেন্টাল হেলথ সেন্টার তৈরি হবে। দেশজুড়ে তৈরি হবে ২৩টি হেলথ সেন্টার।

দেশের শিশুদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ কেন্দ্রের। নতুন পরিকল্পনা ঘোষণা। টিভি চ্যানেলের (one class, one TV channel) মাধ্যমে যাতে দেশের বেশিরভাগ শিশুর কাছে শিক্ষা পৌঁছে দেওয়া যায়, তার ব্যবস্থা করবে কেন্দ্রীয় সরকার। তাই শিশুদের জন্য নতুন টিভি চ্যানেল আনার কথাও ঘোষণা করা হয়েছে এবারের কেন্দ্রীয় বাজেটে।

তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের জন্য নতুন করে টিভি চ্যানেল তৈরি হবে। মোট ২০০ টিভি চ্যানেল তৈরির কথা হয়েছে বাজেটে। আঞ্চলিক ভাষায় শিক্ষাপ্রসারে টিভি চ্যানেল তৈরির উদ্যোগ।

ডিআরডিও-র সঙ্গে এবার কাজ করবে বেসরকারি সংস্থাও। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে আর্থিক সহায়তার মেয়াদ বাড়ল মার্চ অবধি। ক্ষুদ্র শিল্পে জোর দিতে ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান শপ প্রকল্প।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে উৎসাহ দিতে ২ লক্ষ ৭৩ কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর। রেলে পিপিপি মডেলকে আরও উৎসাহ দেওয়া হবে। পার্বত্য অঞ্চলে জাতীয় রোপওয়ে প্রকল্প। ৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ ৮টি রোপওয়ে চালু হবে।

রেল পরিষেবায় আধুনিকতায় জোর। কিছুদিনের মধ্যেই LIC শেয়ার বাজারে ছাড়া হবে। রেল, সড়ক, জলের পরিকাঠামো উন্নয়েনে জোর। ৩ বছরে ৪০০ নতুন বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। পাঁচ বছরে ষাট লাখ কর্মসংস্থানই লক্ষ্য।

শেয়ারবাজারে জীবন বিমা নিগমের আইপিও আনার কথা ঘোষণা। অতিমারির সময়ে বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের নিয়ে তাদের নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে। তাদের জন্য গ্যারান্টি কভার ৫০ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে ৫ লক্ষ কোটি টাকা করা হল। এটি শুধুমাত্র হসপিটালিটি ও তার সঙ্গে যুক্ত পরিষেবার জন্য।

কৃষির আধুনিকীকরণে জোর। দেশে তৈলবীজ উৎপাদন বাড়ানোর জোর। কৃষকদের ৭ লক্ষ কোটি টাকা ন্যূনতম সহায়ক মূল্য দেওয়া হবে। সেচ ও পানীয় জলের জন্য ৪৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের ঘোষণা। ২.৩৭ লক্ষ কোটি টাকার এমএসপি দেওয়া হবে। এছাড়া গঙ্গা উপত্যকা এলাকায় প্রাকৃতিক চাষে অর্থাৎ রাসায়নিক সারের ব্যবহার না করে, কৃষিতে জোর। বিশেষ গুরুত্ব মিলেট চাষে।

দেশের পার্বত্য এলাকাগুলিতেও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। যাতায়াত সুগম করার জন্য পিপিপি মডেলে তৈরি হবে রোপওয়ে।

বাজেটে বিশেষভাবে উপকৃত হবে মহিলা, কৃষক, যুব, তফশিলী জাতি ও উপজাতির মানুষেরা।