কোনো বাচ্চার মুখের দুধ কেড়ে নেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করলেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। ফুটপথে এক অসহায় মহিলার শিশুর জন্য দুধ রান্নার বিষয়ে মন্ত্রীর মন্তব্য নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই অবস্থায় ভিডিও বার্তায় মন্ত্রী বলেন, কোনো বাচ্চার মুখের দুধ কেড়ে নেওয়া হয়নি। সরে যেতে বলা হয়েছে। ওভাবে একটা ব্যস্ত রাস্তায় একটা বাচ্চা হামাগুড়ি দিচ্ছে—শুধু ওখানে নয়, এই দৃশ্য কলকাতার অনেক জায়গাতেই দেখা যায়। একটা দুর্ঘটনা যখন-তখন হয়ে যেতে পারে।
কে দায় নেবে তার? যারা কাল থেকে মানবিকতার কথা বলছেন, তাঁরা?'আরও পড়ুন:
অগ্নিমিত্রা পাল আরো বলেন,'যে সরকার বছরের পর বছর ধরে ফুটপাথে মানুষদের বসিয়েছেন, কর্মসংস্থান করেননি, শুধু তোলাবাজি, ঘুষ আর যত রকমের দুর্নীতি হয়, সেগুলো করে গেছেন গত ১৫ বছর ধরে—তাঁরা আজ জনদরদী?'
আরও পড়ুন:
মন্ত্রীর বক্তব্য,'ফুটপাথ গরিব বা বড়লোককে আলাদা করে চেনে না। ফুটপাথে যারা হাঁটছেন, তাঁরা সবাই মানুষ। মাননীয় সুপ্রিম কোর্টের রায়—ফুটপাথকে হাঁটাচলার উপযোগী করে তুলতে হবে।
ফুটপাথ মানুষের হাঁটাচলার জন্য, বসবাস করার জন্য নয়।'আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন,'আমি জানি, আমাদের সরকার অনেক বড় ম্যান্ডেট নিয়ে এসেছে, তাতে বিরোধীদের সমস্যা হওয়ারই কথা। ফুটপাথ থেকে হকার সরাতে গেলে আপনাদের অসুবিধা, অবৈধ পার্কিং সরাতে গেলে আপনাদের অসুবিধা, যারা রীতিমতো ফুটপাথকে বাসস্থান বানিয়ে ফেলেছেন, তাঁদের সরাতে গেলে আপনাদের অসুবিধা। আপনাদের সুবিধা বা অসুবিধা দেখে তো সরকার কাজ করবে না।
আজ বিনিয়োগের কথা হচ্ছে, নতুন শিল্পপতিদের সঙ্গে কথা হচ্ছে, শিল্প আনার চেষ্টা চলছে। যাঁদের ডাকা হচ্ছে, তাঁরা এসে যদি দেখেন রাস্তাঘাট যানজটে ভরা, রাস্তাঘাটের অবস্থা খারাপ, শহরের এই পরিবেশ—তাঁরা কি আসবেন?
আরও পড়ুন:
রাস্তা থেকে ড্রেন, সবকিছু সংস্কারের কাজ চলছে। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, অক্টোবরের মধ্যে সমস্ত রাস্তা ঠিক করা হবে। ১৫ বছরে বাংলার যে অবস্থা হয়েছে, তা কোনওভাবেই ১০০ দিনে ঠিক করা সম্ভব নয়। এমনটা নয় যে কোনও মন্ত্র বলে সবকিছু হঠাৎ করে ঠিক হয়ে যাবে।
আরও পড়ুন:
আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যা যা প্রতিশ্রুতি আমরা করেছি, তা বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব আমাদের এবং তা আমরা করব। আশা করি, সাধারণ মানুষ আমার এবং আমাদের সরকারের পাশে থাকবেন।'