পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ রামনবমীতে অশান্তিতে উস্কানি দেওয়ার মামলায় এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের স্বামী সাকির আলি। তিন দ্দিনের মধ্যেই আদালতে জামিন পেলেন তৃণমূল কাউন্সিলর। তবে সেইসঙ্গে বেশ কয়েকটি শর্ত বেঁধে দিয়েছে আদালত। শর্ত হিসেবে নিয়মিত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসে তাঁকে হাজিরা দিতে হবে এবং রাজ্যের বাইরে যেতে হলে আদালতের অনুমতি নিতে হবে। 

২০২৩ সালে রামনবমীর দিন অশান্তিতে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিযোগে মঙ্গলবার তাঁর বাড়িতে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

তাদের সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। তারা বাড়িটি ঘিরে রাখে। ভিতরে ঢুকে এনআইএ-র আধিকারিকরা সাকিরকে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এরপর তাঁকে গ্রেফতার করে। সেই সময় তদফন্তকারীদের বাধা দিয়েছিল স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি ছিল, তিনিই সাম্প্রদায়িক অশান্তির হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন।
তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা মিথ্যে। ২০২৩ সালে রিষড়ায় রামনবমী ঘিরে অশান্তির অভিযোগ উঠেছিল। বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছিল। সেই মামলায় নাম জড়িয়েছিল সাকিরের। বেশ কয়েকদিন সেখানে কারফিউ জারি ছিল। যদিও সেই সময় বিরোধীরা অভিযোগ তুলেছিল শাসক দলের ছত্রছায়ায় থাকার কারণে সাকির আলির বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে আর অপরূপা পোদ্দারকে আরামবাগ থেকে প্রার্থী করেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। যদিও সাকির আলির কাউন্সিলর পদটি ছিল। 

ছাব্বিশের ভোটে পালাবদলের পরেই তৃণমূলের ভরাডুবি হয়। এরপরেই একের পর এক পুরনো মামলায় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে শুরু করে রাজ্য সরকার। এদিকে, একের পর এক পুরসভা তৃণমূলের হাতছাড়া হয়। যদিও রিষড়া পুরসভায় বোর্ড ধরে রাখতে সক্ষম হয় তৃণমূল কংগ্রেস।