পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: প্রতিরক্ষাখাতে ক্রমশই নিজেকে শক্তিশালী করে তুলছে ভারত। এবার অগ্নি সিরিজের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করল দেশ। গত দু বছরে এই নিয়ে দুবার মিসাইলের ক্ষমতা প্রয়োগ করল ভারত। শুক্রবার ওড়িশা উপকূলের 'অগ্নি প্রাইম' মিসাইলের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ চালালো প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা, ডিআরডিও।
আরও পড়ুন:
অগ্নি প্রাইম' ক্ষেপণাস্ত্রটি অত্যন্ত হালকা মিশ্র ধাতুতে তৈরি। ফলে অগ্নি-৩-এর থেকে এর ওজন ৫০ শতাংশ কম। ওজনে হালকা হওয়ার ফলে রেল বা সড়ক পথে বিশেষ সামরিক যান থেকে পরমাণু অস্ত্রবহনে সক্ষম মিসাইলটি ছোঁড়া সম্ভব। ১ থেকে ২ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত নিখুঁত লক্ষ্যভেদে আঘাত হানতে সক্ষম এই হালকা ওজনের ক্ষেপনাস্ত্র।
যুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনা নৌবহরের বিরুদ্ধে আঘাত হানতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এই ক্ষেপনাস্ত্রটি।আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, এর আগে পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম অগ্নি-৫ মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণ করে ডিআরডিও। ৫ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত পাড়ি দিয়ে শত্রু ঘাঁটি উড়িয়ে দিতে সক্ষম এই অগ্নি-৫। একেবারে চিনের অভ্যন্তরে গিয়ে ধ্বংসলীলা চালানোর মতো ক্ষমতা রাখে এই মিসাইল।
আরও পড়ুন:
ইন্টিগ্রেটেড গাইডেড মিসাইল ডেভলপমেন্ট প্রোগ্রামের অন্তর্গত অগ্নি-৫-এর শেষ পরীক্ষা করা হয় ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে৷ তবে মিসাইলটি তৈরির সময় থেকেই এর পরীক্ষা চালানো শুরু হয়। প্রত্যেকবারই সফল উৎক্ষেপণ করা হয়। অগ্নি সিরিজের একাধিক মিসাইল ও যুদ্ধ বিমান মজুত আছে ভারতের কাছে।
আরও পড়ুন:
অত্যাধুনিক নেভিগেশন সমন্বিত এই অগ্নি-৫। সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫ কিলোগ্রাম ওজনের পারমাণবিক বোমা বহনে সক্ষম এই মিসাইলের রক্ষণাবেক্ষণ খরচও অনেক কম। অগ্নি-৫, যা একটি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, রাশিয়া, চিন, ফ্রান্স, ইসরায়েল এবং উত্তর কোরিয়ার পরে ভারত হল অষ্টম দেশ যার আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা রয়েছে।