০৭ মার্চ ২০২৬, শনিবার, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ব্যর্থ বিজেপি, দিল্লির মেয়র আপের শেলি

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: শীর্ষকোর্টে জয়ের পরই আত্মবিশ্বাসী ছিল কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, উপরাজ্যপাল মনোনীত সদস্যদের মেয়র নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভোটাধিকার থাকবে না। মেয়র বাছাই হবে কেবলমাত্র পুর নির্বাচনে জয়ীদের ভোটের উপর ভিত্তি করেই। সেই মোতাবেক অবশেষে বুধবার সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হল নির্বাচন।

দিল্লির পুরনিগমের নতুন মেয়র হলেন আপ প্রার্থী শেলি ওবেরয়। বিজেপি প্রার্থী রেখা গুপ্তাকে হারিয়ে দেন তিনি। ৩৪ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন শেলি। গত বছর ডিসেম্বরে হয়েছিল দিল্লি পুরসভার ভোট। তার পর থেকে তিন-তিন বার মেয়র নির্বাচনের চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু প্রতি বারই হাঙ্গামার জেরে বন্ধ করে দিতে হয় মেয়র বাছাই।

আপের মেয়র পদপ্রার্থী শেলিই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধানী বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দেয়, মনোনীত সদস্যরা মেয়র নির্বাচনের ভোটে অংশ নিতে পারবেন না। এর ফলে আপের মেয়র প্রার্থীই যে জিততে চলেছেন তা এক প্রকার নিশ্চিত ছিল।

গত ডিসেম্বরে ১৫ বছরের বিজেপি-রাজের অবসান ঘটিয়ে দিল্লি পুরনিগমের ক্ষমতা দখল করে আপ। ২৫০ আসনের দিল্লি পুরনিগমে ম্যাজিক ফিগার পেরিয়ে ১৩৪টি আসনে জয়ী হয় তারা। বিজেপি পেয়েছিল ১০৪টি আসন। কিন্তু এরপরও মেয়র নির্বাচন নিয়ে জট তৈরি হয়। গত দু’মাসে তিনবার মেয়র নির্বাচন ভেস্তে গিয়েছিল। আপের অভিযোগ ছিল, দিল্লি পুরসভার দখল রাখতে নিজেদের প্রার্থীকে মেয়র পদে বসাতে মরিয়া পদ্ম শিবির।

এদিন আপের শেলি ওবেরয় পেয়েছেন ১৫০টি ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থী পেয়েছেন ১১৬টি ভোট। শেলি ওবেরয় মেয়র নির্বাচিত হতেই উল্লাসে ফেটে পড়েন আপ প্রার্থীরা। এমসিডি পুরভবনের সামনে আবীর খেলায় মেতে ওঠেন তাঁরা। ভোটে জেতার পর শেলি ওবেরয়কে শুভেচ্ছা জানান দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া। কেজরির ডেপুটি বলেন, ‘বিজেপির সব চক্রান্তের অবসান হল। দিল্লিবাসীকে উন্নত পরিষেবা দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। সেই লক্ষ্যেই কাজ করবে আপের বোর্ড।’

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

৩৮ জন জামিয়া মিল্লিয়া ইসলামিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী ২০২৫ সালের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ব্যর্থ বিজেপি, দিল্লির মেয়র আপের শেলি

আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, বুধবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: শীর্ষকোর্টে জয়ের পরই আত্মবিশ্বাসী ছিল কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, উপরাজ্যপাল মনোনীত সদস্যদের মেয়র নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভোটাধিকার থাকবে না। মেয়র বাছাই হবে কেবলমাত্র পুর নির্বাচনে জয়ীদের ভোটের উপর ভিত্তি করেই। সেই মোতাবেক অবশেষে বুধবার সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হল নির্বাচন।

দিল্লির পুরনিগমের নতুন মেয়র হলেন আপ প্রার্থী শেলি ওবেরয়। বিজেপি প্রার্থী রেখা গুপ্তাকে হারিয়ে দেন তিনি। ৩৪ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন শেলি। গত বছর ডিসেম্বরে হয়েছিল দিল্লি পুরসভার ভোট। তার পর থেকে তিন-তিন বার মেয়র নির্বাচনের চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু প্রতি বারই হাঙ্গামার জেরে বন্ধ করে দিতে হয় মেয়র বাছাই।

আপের মেয়র পদপ্রার্থী শেলিই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধানী বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দেয়, মনোনীত সদস্যরা মেয়র নির্বাচনের ভোটে অংশ নিতে পারবেন না। এর ফলে আপের মেয়র প্রার্থীই যে জিততে চলেছেন তা এক প্রকার নিশ্চিত ছিল।

গত ডিসেম্বরে ১৫ বছরের বিজেপি-রাজের অবসান ঘটিয়ে দিল্লি পুরনিগমের ক্ষমতা দখল করে আপ। ২৫০ আসনের দিল্লি পুরনিগমে ম্যাজিক ফিগার পেরিয়ে ১৩৪টি আসনে জয়ী হয় তারা। বিজেপি পেয়েছিল ১০৪টি আসন। কিন্তু এরপরও মেয়র নির্বাচন নিয়ে জট তৈরি হয়। গত দু’মাসে তিনবার মেয়র নির্বাচন ভেস্তে গিয়েছিল। আপের অভিযোগ ছিল, দিল্লি পুরসভার দখল রাখতে নিজেদের প্রার্থীকে মেয়র পদে বসাতে মরিয়া পদ্ম শিবির।

এদিন আপের শেলি ওবেরয় পেয়েছেন ১৫০টি ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থী পেয়েছেন ১১৬টি ভোট। শেলি ওবেরয় মেয়র নির্বাচিত হতেই উল্লাসে ফেটে পড়েন আপ প্রার্থীরা। এমসিডি পুরভবনের সামনে আবীর খেলায় মেতে ওঠেন তাঁরা। ভোটে জেতার পর শেলি ওবেরয়কে শুভেচ্ছা জানান দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া। কেজরির ডেপুটি বলেন, ‘বিজেপির সব চক্রান্তের অবসান হল। দিল্লিবাসীকে উন্নত পরিষেবা দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। সেই লক্ষ্যেই কাজ করবে আপের বোর্ড।’