পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: ঢাকার গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারিতে নৃশংস জঙ্গি হামলার ঘটনার মামলাটি দ্বিতীয় ধাপে এখন হাইকোর্টে শুনানির অপেক্ষায় আছে। করোনার পরিস্থিতির কারণেই এই মামলার শুনানি পিছিয়ে গেছে।
মামলার পেপারবুক তৈরি আছে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামি কারাগারে। করোনা পরিস্থিতি না থাকলে এত দিনে শুনানি শুরু হয়ে যেত।
আজ থেকে দেশে এক সপ্তাহের কঠোর বিধিনিষেধ শুরু কারণে হাইকোর্টের বিচারিক কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চলবে।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে জঙ্গি হামলায় ১৭ জন বিদেশিসহ নিহত হন মোট ২২ জন। তাদের মধ্যে দুইজন পুলিশ কর্মকর্তা। জঙ্গিদের গুলি ও বোমায় আহত হন পুলিশের অনেকে। কয়েকবার প্রস্তুতি নেওয়া সত্ত্বেও স্পর্শকাতর বিবেচনায় রাতে হলি আর্টিজান অভিযান চালানো থেকে বিরত থাকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরদিন সকালে সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো সদস্যদের পরিচালিত ‘অপারেশন থান্ডারবোল্টে’অবসান হয় নিহত হয় হামলাকারী ৫ জঙ্গি।