পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: মুম্বাইয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আয়োজিত রাজনৈতিক প্রতিবাদ আন্দোলনে অংশ নেওয়ার অভিযোগে বলিউড অভিনেতা ইমরান খানকে আগামী ২৮ অক্টোবরের মধ্যে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নবগঠিত ‘ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাক্ট, ২০২৫’-এর ৭ ও ২৯ ধারায় এই কড়া আইনি নোটিশ জারি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
আমেরিকান নাগরিকত্বধারী অভিনেতা ইমরান খানের কাছে ভারতের ওভারসিজ সিটিজেন অফ ইন্ডিয়া (ওসিআই) কার্ড রয়েছে। গত ১০ অক্টোবরের আন্দোলনে তাঁকে সাময়িকভাবে আটক করার পর বিজেপি নেতা কিরীট সোমাইয়ার করা এক অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। কিরীট সোমাইয়া সংবাদমাধ্যমকে বলেন, "ভারতে হাজার হাজার ইমরান খান রয়েছেন, যাঁরা এখানে বাস করেও দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে চান।
এঁদের সবার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া দরকার এবং তাঁদের দেশ থেকে বিতাড়িত করা উচিত।"আরও পড়ুন:
স্বরাষ্ট্র ও পুলিশি সূত্রে জানানো হয়েছে, ভারতের আইন অনুযায়ী কোনো বিদেশী নাগরিক এদেশের মাটিতে রাজনৈতিক আন্দোলন বা প্রতিবাদে অংশ নিতে পারেন না।
আরও পড়ুন:
ধারা ৭ অনুযায়ী কেন্দ্র সরকার ভারতের যেকোনো বিদেশী নাগরিকের প্রবেশ, অবস্থান ও বহির্গমন নিয়ন্ত্রণ কিংবা সীমিত করার পূর্ণ ক্ষমতা রাখে। ২৯ এই ধারাটি নিরাপত্তা কিংবা ইমিগ্রেশন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে যেকোনো বিদেশী নাগরিককে ভারত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বের করে দেওয়া বা বিতাড়িত করার প্রশাসনিক আইনি ভিত্তি প্রদান করে।
আরও পড়ুন:
এই ঘটনার পর থেকে ‘ওভারসিজ সিটিজেন অফ ইন্ডিয়া’ কার্ডের আইনি ক্ষমতা ও অধিকার নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী অমিতরাজ কৌশল বিষয়টি ব্যাখ্যা করে জানান, ওসিআই কার্ড একজন প্রবাসী ভারতীয়কে আজীবন মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসা এবং অনাবাসী ভারতীয়দের (এনআরআই) সমতুল্য অর্থনৈতিক অধিকার প্রদান করে ঠিকই, কিন্তু এটি কোনোভাবেই ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রদান করে না।