০১ মার্চ ২০২৬, রবিবার, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অসমে  সরকার সমস্ত স্কুলে রাজ্য সঙ্গীত গাওয়া বাধ্যতামূলক করেছে 

Representative image

 

 

আরও পড়ুন: কংগ্রেস জমানায় ৭ জেলায় অনুপ্রবেশকারী ৬৪ লাখ! অসমের জনতাত্ত্বিক পরিবর্তন নিয়ে দাবি শাহের

 

আরও পড়ুন: গোরু চোর সন্দেহে গণপিটুনি অসমে: অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু একজনের, গুরুতর আহত ৪

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: বিজেপিশাসিত অসম সরকার রাজ্যের সমস্ত স্কুলে এবং সমস্ত অনুষ্ঠানে রাজ্য সঙ্গীত গাওয়া বাধ্যতামূলক করেছে।

আরও পড়ুন: এক সন্তানেই থামবেন না, ২-৩টি করে সন্তান নিন: হিন্দুদের আহ্বান অসমের মুখ্যমন্ত্রীর

অসম সর্বশিক্ষা অভিযান মিশন দ্বারা প্রকাশিত একটি চিঠিতে বলা হয়েছে,  ‘আপনাকে এতদ্বারা জানানো হচ্ছে যে রাজ্য সঙ্গীত ‘ও মোর আপোনোর দেশ’ (ও আমার নিজের দেশ) স্কুলে গাওয়া হবে, সকালের প্রার্থনা সমাবেশ ব্যতীত, যে কোনও বিশেষ অনুষ্ঠান এবং সভা ইত্যাদির সময় পরিবেশন করতে হবে।’

গত ১৪ সেপ্টেম্বর জারি করা এ সংক্রান্ত চিঠিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা আধিকারিক, অসম সর্বশিক্ষা অভিযান মিশনের জেলা মিশন সমন্বয়কারী এবং সমস্ত জেলার স্কুল পরিদর্শকদের সম্বোধন করা হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা সকলের কাছে সহজলভ্য করতে কেন্দ্রীয় সরকারের বড় কর্মসূচি ‘সর্বশিক্ষা অভিযান’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অসম সর্বশিক্ষা অভিযান মিশন চলছে।

অল অসম স্টুডেন্টস ইউনিয়নের উপদেষ্টা সমুজ্জল ভট্টাচার্য গণমাধ্যমকে বলেন,  বেশিরভাগ স্কুলে রাজ্য সঙ্গীত গাওয়া হয়। অসম জাতীয় বিদ্যালয়গুলোতে (স্থানীয় ভাষার স্কুল) ক্লাসের আগে এটি গাওয়া হয়। রাজ্য সঙ্গীত মাতৃভূমির (অসম) প্রতি দেশপ্রেমের অনুভূতি জাগায়।

তিনি বলেন, ‘আমরা জাতীয় সঙ্গীতকে সম্মান করি, কিন্তু এটি আমাদেরকে (রাজ্য সঙ্গীত) গাওয়া থেকে ছাড় দেয় না। রাজ্য সঙ্গীতও গুরুত্বপূর্ণ।’

বলা হয়েছে,  অসমের শিক্ষামন্ত্রী রণোজ পেগুর অনুমোদন নিয়ে ওই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সর্বশিক্ষা অভিযানের মিশন ডিরেক্টর ড. ওম প্রকাশের মতে, প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের সচিব ড. বিজয়া চৌধুরী ওই চিঠিটি জারি করেছেন।

অসমীয়া কবি এবং ঔপন্যাসিক লক্ষ্মীনাথ বেজবড়ুয়ার লেখা, ‘ও মোর আপোনোর দেশ’ গানটি ১৯২৭ সালে রাজ্য সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হয়েছিল। গানটির প্রথম অনুচ্ছেদের অনুবাদ কিছুটা এরকম- ‘হে আমার প্রিয় দেশ/হে আমার ভালো দেশ/এত উদার, এত প্রাচুর্য/এত কাছে প্রিয় দেশ।’ (যাতে অসমকে একটি ‘দেশ’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।)

প্রসঙ্গত, গতমাসে  বিজেপিশাসিত কর্ণাটক সরকার স্কুলে শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়মিত ‘জাতীয় সঙ্গীত’ গাওয়া বাধ্যতামূলক করেছে।

সর্বধিক পাঠিত

ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি কৃষকদের জন্য ‘ডেথ ওয়ারেন্ট’, বার্নালার র‍্যালিতে মোদীকে তীব্র আক্রমণ রাহুলের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

অসমে  সরকার সমস্ত স্কুলে রাজ্য সঙ্গীত গাওয়া বাধ্যতামূলক করেছে 

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার

 

 

আরও পড়ুন: কংগ্রেস জমানায় ৭ জেলায় অনুপ্রবেশকারী ৬৪ লাখ! অসমের জনতাত্ত্বিক পরিবর্তন নিয়ে দাবি শাহের

 

আরও পড়ুন: গোরু চোর সন্দেহে গণপিটুনি অসমে: অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু একজনের, গুরুতর আহত ৪

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: বিজেপিশাসিত অসম সরকার রাজ্যের সমস্ত স্কুলে এবং সমস্ত অনুষ্ঠানে রাজ্য সঙ্গীত গাওয়া বাধ্যতামূলক করেছে।

আরও পড়ুন: এক সন্তানেই থামবেন না, ২-৩টি করে সন্তান নিন: হিন্দুদের আহ্বান অসমের মুখ্যমন্ত্রীর

অসম সর্বশিক্ষা অভিযান মিশন দ্বারা প্রকাশিত একটি চিঠিতে বলা হয়েছে,  ‘আপনাকে এতদ্বারা জানানো হচ্ছে যে রাজ্য সঙ্গীত ‘ও মোর আপোনোর দেশ’ (ও আমার নিজের দেশ) স্কুলে গাওয়া হবে, সকালের প্রার্থনা সমাবেশ ব্যতীত, যে কোনও বিশেষ অনুষ্ঠান এবং সভা ইত্যাদির সময় পরিবেশন করতে হবে।’

গত ১৪ সেপ্টেম্বর জারি করা এ সংক্রান্ত চিঠিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা আধিকারিক, অসম সর্বশিক্ষা অভিযান মিশনের জেলা মিশন সমন্বয়কারী এবং সমস্ত জেলার স্কুল পরিদর্শকদের সম্বোধন করা হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা সকলের কাছে সহজলভ্য করতে কেন্দ্রীয় সরকারের বড় কর্মসূচি ‘সর্বশিক্ষা অভিযান’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অসম সর্বশিক্ষা অভিযান মিশন চলছে।

অল অসম স্টুডেন্টস ইউনিয়নের উপদেষ্টা সমুজ্জল ভট্টাচার্য গণমাধ্যমকে বলেন,  বেশিরভাগ স্কুলে রাজ্য সঙ্গীত গাওয়া হয়। অসম জাতীয় বিদ্যালয়গুলোতে (স্থানীয় ভাষার স্কুল) ক্লাসের আগে এটি গাওয়া হয়। রাজ্য সঙ্গীত মাতৃভূমির (অসম) প্রতি দেশপ্রেমের অনুভূতি জাগায়।

তিনি বলেন, ‘আমরা জাতীয় সঙ্গীতকে সম্মান করি, কিন্তু এটি আমাদেরকে (রাজ্য সঙ্গীত) গাওয়া থেকে ছাড় দেয় না। রাজ্য সঙ্গীতও গুরুত্বপূর্ণ।’

বলা হয়েছে,  অসমের শিক্ষামন্ত্রী রণোজ পেগুর অনুমোদন নিয়ে ওই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সর্বশিক্ষা অভিযানের মিশন ডিরেক্টর ড. ওম প্রকাশের মতে, প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের সচিব ড. বিজয়া চৌধুরী ওই চিঠিটি জারি করেছেন।

অসমীয়া কবি এবং ঔপন্যাসিক লক্ষ্মীনাথ বেজবড়ুয়ার লেখা, ‘ও মোর আপোনোর দেশ’ গানটি ১৯২৭ সালে রাজ্য সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হয়েছিল। গানটির প্রথম অনুচ্ছেদের অনুবাদ কিছুটা এরকম- ‘হে আমার প্রিয় দেশ/হে আমার ভালো দেশ/এত উদার, এত প্রাচুর্য/এত কাছে প্রিয় দেশ।’ (যাতে অসমকে একটি ‘দেশ’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।)

প্রসঙ্গত, গতমাসে  বিজেপিশাসিত কর্ণাটক সরকার স্কুলে শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়মিত ‘জাতীয় সঙ্গীত’ গাওয়া বাধ্যতামূলক করেছে।