২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শনিবার, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জাতীয় সংগীত অবমাননা!উত্তরপ্রদেশে পাঠ্যবই থেকে বাদ পড়ল ‘উৎকল ও বঙ্গ’

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ এবার জাতীয় সংগীত অবমাননার অভিযোগ উঠলও যোগী সরকারের বিরুদ্ধে। মূলত পঞ্চম শ্রেণীর পাঠ্যবই থেকে উধাও হয়েছে ‘উৎকল ও বঙ্গ’ দু’ই শব্দ। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, উত্তরপ্রদেশের প্রায় আড়াই থেকে ৩ লাখ স্কুলের বইতে বিকৃত করে জাতীয় সংগীত ছাপা হয়েছে।তার জেরেই শুরু হয়েছে সমালোচনার ঝড়। সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে উত্তরপ্রদেশ প্রশাসনের তরফে জানানও হয়েছে, এই ভুল সরকারের তরফে হয়নি।ভুল করেছে প্রকাশক সংস্থা। ভুলটি নজরে আসার পরই ওই বইগুলি বদলে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন।

 

আরও পড়ুন: “বিচারব্যবস্থাকে কালিমালিপ্ত করা সহ্য করব না”: পাঠ্যবইয়ে ‘বিচারবিভাগীয় দুর্নীতি’ নিয়ে ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট

উল্লেখ্য,অন্যান্য সরকারি স্কুলের মত উত্তরপ্রদেশের সরকারি স্কুলগুলিতে পড়ুয়াদের বিনামূল্য পাঠ্য বই দিয়ে থাকে  উত্তরপ্রদেশ সরকার। এদিন নিয়ম মেনেই গত এপ্রিলে শিক্ষাবর্ষের শুরুতে পড়ুয়াদের  মধ্যে বই বিতরণ করা হয়। এরপরই ভুলটি নজরে আসে অনেকের।  দেখা যায় পঞ্চম শ্রেণির হিন্দি পাঠ্য বইয়ের শেষ পাতায় যে জাতীয় সংগীত ছাপা হয়েছে, তা ভুলে ভরা। সূত্রের খবর, ওই বইগুলি কৌশাম্বির স্কুলগুলিতে বিলি করা হচ্ছিল।   বিষয়টি নজরে আসার পরই, বই বিলি বন্ধ রাখে উত্তরপ্রদেশে প্রশাসন। পাশাপাশি, ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেই সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর।

আরও পড়ুন: উত্তরপ্রদেশ: পবিত্র রমজানে মাদ্রাসার অনুদান সংগ্রহে বেরিয়ে নিগৃহীত তিন মুসলিম প্রবীণ, গ্রেফতার যুবক

 

আরও পড়ুন: উত্তরপ্রদেশে মথুরায় একই পরিবারের ৫ সদস্যের রহস্যমৃত্যু, ঘর থেকে উদ্ধার সুইসাইড নোট

যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যে সরকারি পাঠ্যপুস্তকে জাতীয় সঙ্গীতের এমন বিকৃতি নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্কের দানা বেঁধেছে রাজনৈতিক মহলে। উল্লেখ্য, বিজেপি ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে কামিয়াব হয়নি, সে কারণেই কি পূর্ব ভারতের দুই রাজ্যের নাম বাদ পড়ার ঘটনা। সে নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।

 

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

একই নথি জমা দিয়ে ভাইয়ের নাম এপ্রুভ, ডিলিট বোনের নাম: ক্ষোভ বংশীহারী ব্লকে

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জাতীয় সংগীত অবমাননা!উত্তরপ্রদেশে পাঠ্যবই থেকে বাদ পড়ল ‘উৎকল ও বঙ্গ’

আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, বুধবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ এবার জাতীয় সংগীত অবমাননার অভিযোগ উঠলও যোগী সরকারের বিরুদ্ধে। মূলত পঞ্চম শ্রেণীর পাঠ্যবই থেকে উধাও হয়েছে ‘উৎকল ও বঙ্গ’ দু’ই শব্দ। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, উত্তরপ্রদেশের প্রায় আড়াই থেকে ৩ লাখ স্কুলের বইতে বিকৃত করে জাতীয় সংগীত ছাপা হয়েছে।তার জেরেই শুরু হয়েছে সমালোচনার ঝড়। সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে উত্তরপ্রদেশ প্রশাসনের তরফে জানানও হয়েছে, এই ভুল সরকারের তরফে হয়নি।ভুল করেছে প্রকাশক সংস্থা। ভুলটি নজরে আসার পরই ওই বইগুলি বদলে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন।

 

আরও পড়ুন: “বিচারব্যবস্থাকে কালিমালিপ্ত করা সহ্য করব না”: পাঠ্যবইয়ে ‘বিচারবিভাগীয় দুর্নীতি’ নিয়ে ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট

উল্লেখ্য,অন্যান্য সরকারি স্কুলের মত উত্তরপ্রদেশের সরকারি স্কুলগুলিতে পড়ুয়াদের বিনামূল্য পাঠ্য বই দিয়ে থাকে  উত্তরপ্রদেশ সরকার। এদিন নিয়ম মেনেই গত এপ্রিলে শিক্ষাবর্ষের শুরুতে পড়ুয়াদের  মধ্যে বই বিতরণ করা হয়। এরপরই ভুলটি নজরে আসে অনেকের।  দেখা যায় পঞ্চম শ্রেণির হিন্দি পাঠ্য বইয়ের শেষ পাতায় যে জাতীয় সংগীত ছাপা হয়েছে, তা ভুলে ভরা। সূত্রের খবর, ওই বইগুলি কৌশাম্বির স্কুলগুলিতে বিলি করা হচ্ছিল।   বিষয়টি নজরে আসার পরই, বই বিলি বন্ধ রাখে উত্তরপ্রদেশে প্রশাসন। পাশাপাশি, ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেই সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর।

আরও পড়ুন: উত্তরপ্রদেশ: পবিত্র রমজানে মাদ্রাসার অনুদান সংগ্রহে বেরিয়ে নিগৃহীত তিন মুসলিম প্রবীণ, গ্রেফতার যুবক

 

আরও পড়ুন: উত্তরপ্রদেশে মথুরায় একই পরিবারের ৫ সদস্যের রহস্যমৃত্যু, ঘর থেকে উদ্ধার সুইসাইড নোট

যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যে সরকারি পাঠ্যপুস্তকে জাতীয় সঙ্গীতের এমন বিকৃতি নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্কের দানা বেঁধেছে রাজনৈতিক মহলে। উল্লেখ্য, বিজেপি ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে কামিয়াব হয়নি, সে কারণেই কি পূর্ব ভারতের দুই রাজ্যের নাম বাদ পড়ার ঘটনা। সে নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।