পুবের কলম প্রতিবেদক: কলকাতা বন্দরের খিদিরপুর ডকে জাহাজ ঢোকা-বেরনোর জন্য নির্ভর করতে হয় জোয়ার-ভাঁটার উপর। কারণ লকগেট মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত ডকের ব্যবস্থার ওপরে জাহাজের ঢোকা-বেরনো নির্ভর করে।
আরও পড়ুন:
যদিও এটা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। এই অবস্থা বন্ধ করতে এবার বিশ্বমানের একটা কন্টেনার টার্মিনাল তৈরি করতে চলেছে কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষ। এর ফলে সময় বাঁচবে।
লকগেট খোলা-বন্ধের জন্যে অপেক্ষা করতে হবে না।আরও পড়ুন:
বন্দর চেয়ারম্যান পি এল হরনাদ জানিয়েছেন, 'বিশ্বমানের টার্মিনাল তৈরি হচ্ছে। যেখানে জাহাজ এসে দাঁড়াবে। বেশি ওজনের ক্রেন আমরা ব্যবহার করব। কন্টেনার সেখানেই আনলোড হবে।
প্রয়োজনে লোডিংয়ের কাজও সেখানে করা হবে। সেখান থেকেই রেল বা পণ্য পাঠানোর জন্য গাড়ি রাখা থাকবে। লকগেটের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না।’আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, লকগেট খোলা তারপর জাহাজ ঢোকা-বেরনো এইসব কাজে প্রায় ২ ঘণ্টা সময় লেগে যায়। এখন খিদিরপুর ডকের বাইরে যদি এই আধুনিক টার্মিনাল তৈরি হয়ে যায়, তাহলে পণ্য খালাসে সময় কমবে।
আপাতত এই প্রকল্পের জন্য পরিবেশগত ছাড়পত্র নেওয়া হয়ে গেছে। ডিটেইলড প্রজেক্ট রিপোর্ট তৈরি করা হচ্ছে। চেষ্টা করা হচ্ছে শীঘ্রই কাজ শুরু করে দেওয়ার। বন্দর ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে রৌপ্য জয়ন্তী পালন করা হচ্ছে বন্দরে।আরও পড়ুন:
বর্তমানে ৭৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগে ৩টি প্রকল্পের কাজ চলছে। কলকাতা বন্দরে হুগলি নদীর নীচে সুড়ঙ্গ নির্মাণের কাজ চলছে বলেও তিনি জানান। এটি চালু হলে কোণা এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা যাবে। রেল টার্মিনাল-সহ মাল্টিমডেল পরিবহণের উপর জোর দিতে হবে বলেও চেয়ারম্যান উল্লেখ করেন।