৩০ অগাস্ট ২০২৫, শনিবার, ১৩ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ব্রিটেনে বেনামে ফ্ল্যাট নেতানিয়াহুর ছেলের

ইমামা খাতুন
  • আপডেট : ৩ জুলাই ২০২৫, বৃহস্পতিবার
  • / 147

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: নাম ভাঁড়িয়ে ব্রিটেনে ফ্ল্যাট নেতানিয়াহুর ছেলের। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ছোট ছেলে আভনের  ব্রিটেনে ভিন্ন নামে একটি অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছেন বলে জানিয়েছে ইসরাইলি সংবাদ পত্র কালকালিস্ত।

ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২২ সালে আভনের নেতানিয়াহু, ছদ্দনাম – ‘আভি আভনের সেগাল’ নামে ব্রিটেনের অক্সফোর্ড শহরে একটি অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছেন। যার মূল্য ছিল পাঁচ লাখ ইউরোরও (প্রায় ৬.৮ লাখ মার্কিন ডলার) বেশি। ফ্ল্যাট কিনতে তাঁকে কোনো মর্টগেজ নিতে হয়নি। ওই অ্যাপার্টমেন্ট কেনার বিষয়ে ইসরাইলের কর কর্তৃপক্ষকে কোনো ধরনের জবাবদিহি করেননি আভনের। ইসরাইলি আইনে বিদেশে স্থাবর সম্পত্তি থাকলে নির্ধারিত হারে কর পরিশোধ করতে হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যদি ফ্ল্যাটটি ১০ দিন আগে বা পরে কেনা হতো, তাহলে এর মূল্য ২০ লাখ শেকেল ছাড়িয়ে যেত এবং তখন ইসরাইলি কর কর্তৃপক্ষকে জানানো বাধ্যতামূলক হতো। আভনার কালকালিস্তকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় বলেন, তনাম পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ আইনি ছিল এবং তা ইসরাইলের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিবন্ধিত।

আরও পড়ুন: জনগণের সমর্থন হারিয়েছে নেতানিয়াহু সরকার: ইয়ার লাপিদ

 

আরও পড়ুন: জোটে বড় ভাঙন, চরম চাপে নেতানিয়াহু সরকার

আমি প্রথমে জাতীয় পরিচয়পত্র, পরে পাসপোর্ট ও ড্রাইভিং লাইসেন্সে পরিবর্তন করি;সব মিলিয়ে এটি ছিল একটা সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া। তিনি আরও বলেন, তইসরাইল ও যুক্তরাজ্যের কর কর্তৃপক্ষকে যা যা জানানো প্রয়োজন, আমি সবই জানিয়েছি।

আরও পড়ুন: দেশের স্বার্থের চেয়ে বড় মোদি-নেতানিয়াহু বন্ধুত্ব? জয়রাম রমেশ

আভনার বর্তমানে আন্তর্জাতিক পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান ‘স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড’-এ কর্মরত। নিরাপত্তাজনিত কারণেই তিনি ভিন্ন নামে বিদেশে সম্পদ কেনার সিদ্ধান্ত বলে দাবি করেছেন তিনি। কিন্তু কালকালিস্ত-এর অভিযোগ, আভনের নেতানিয়াহু সম্পদের প্রকৃত পরিমাণ গোপন রেখে সরকারের কাছে কম কর পরিশোধ করেছেন। এই প্রথম নয়, নেতানিয়াহু পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে এর আগেও নানা বিতর্ক ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে স্বচ্ছতা ও অর্থনৈতিক দায়বদ্ধতা নিয়ে তাদের কর্মকাণ্ড একাধিকবার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে শিরোনাম হয়েছে।

 

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ব্রিটেনে বেনামে ফ্ল্যাট নেতানিয়াহুর ছেলের

আপডেট : ৩ জুলাই ২০২৫, বৃহস্পতিবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: নাম ভাঁড়িয়ে ব্রিটেনে ফ্ল্যাট নেতানিয়াহুর ছেলের। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ছোট ছেলে আভনের  ব্রিটেনে ভিন্ন নামে একটি অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছেন বলে জানিয়েছে ইসরাইলি সংবাদ পত্র কালকালিস্ত।

ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২২ সালে আভনের নেতানিয়াহু, ছদ্দনাম – ‘আভি আভনের সেগাল’ নামে ব্রিটেনের অক্সফোর্ড শহরে একটি অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছেন। যার মূল্য ছিল পাঁচ লাখ ইউরোরও (প্রায় ৬.৮ লাখ মার্কিন ডলার) বেশি। ফ্ল্যাট কিনতে তাঁকে কোনো মর্টগেজ নিতে হয়নি। ওই অ্যাপার্টমেন্ট কেনার বিষয়ে ইসরাইলের কর কর্তৃপক্ষকে কোনো ধরনের জবাবদিহি করেননি আভনের। ইসরাইলি আইনে বিদেশে স্থাবর সম্পত্তি থাকলে নির্ধারিত হারে কর পরিশোধ করতে হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যদি ফ্ল্যাটটি ১০ দিন আগে বা পরে কেনা হতো, তাহলে এর মূল্য ২০ লাখ শেকেল ছাড়িয়ে যেত এবং তখন ইসরাইলি কর কর্তৃপক্ষকে জানানো বাধ্যতামূলক হতো। আভনার কালকালিস্তকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় বলেন, তনাম পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ আইনি ছিল এবং তা ইসরাইলের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিবন্ধিত।

আরও পড়ুন: জনগণের সমর্থন হারিয়েছে নেতানিয়াহু সরকার: ইয়ার লাপিদ

 

আরও পড়ুন: জোটে বড় ভাঙন, চরম চাপে নেতানিয়াহু সরকার

আমি প্রথমে জাতীয় পরিচয়পত্র, পরে পাসপোর্ট ও ড্রাইভিং লাইসেন্সে পরিবর্তন করি;সব মিলিয়ে এটি ছিল একটা সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া। তিনি আরও বলেন, তইসরাইল ও যুক্তরাজ্যের কর কর্তৃপক্ষকে যা যা জানানো প্রয়োজন, আমি সবই জানিয়েছি।

আরও পড়ুন: দেশের স্বার্থের চেয়ে বড় মোদি-নেতানিয়াহু বন্ধুত্ব? জয়রাম রমেশ

আভনার বর্তমানে আন্তর্জাতিক পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান ‘স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড’-এ কর্মরত। নিরাপত্তাজনিত কারণেই তিনি ভিন্ন নামে বিদেশে সম্পদ কেনার সিদ্ধান্ত বলে দাবি করেছেন তিনি। কিন্তু কালকালিস্ত-এর অভিযোগ, আভনের নেতানিয়াহু সম্পদের প্রকৃত পরিমাণ গোপন রেখে সরকারের কাছে কম কর পরিশোধ করেছেন। এই প্রথম নয়, নেতানিয়াহু পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে এর আগেও নানা বিতর্ক ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে স্বচ্ছতা ও অর্থনৈতিক দায়বদ্ধতা নিয়ে তাদের কর্মকাণ্ড একাধিকবার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে শিরোনাম হয়েছে।