০৬ মার্চ ২০২৬, শুক্রবার, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গণতন্ত্র নয় আফগানিস্তানে চালু হতে পারে পরিষদীয় প্রশাসনিক কাঠামো,ইঙ্গিত দিলেন শীর্ষ তালিবান নেতা

Members of a Taliban delegation, led by chief negotiator Mullah Abdul Ghani Baradar (C, front), leave after peace talks with Afghan senior politicians in Moscow, Russia May 30, 2019. REUTERS/Evgenia Novozhenina - RC17FC2683A0

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ গণতান্ত্রিক পদ্ধতি নয় পরিষদীয় ব্যবস্থাই কায়েম হবে আফগানিস্থানে। এমনটাই ইঙ্গিত দিলেন তালিবান শীর্ষ নেতা হাইবাতুল্লা আখুন্দজাদা।

আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা সূত্রের খবর আখুন্দজাদা বলেছেন ” গণতান্ত্রিক পদ্ধতি একেবারেই নয়, কারণ আমাদের দেশে সেই ভিত্তি নেই”। তবে তিনি আরও বলেন আফগানিস্তানে কি ধরনের রাজনৈতিক ব্যবস্থা জারি হতে পারে তা সকলের কাছেই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। শরিয়া আইন এবং সেটাই হবে শেষ কথা।

তবে গণতান্ত্রিক বা পরিষদীয় কাঠামো যাই চালু হোক না কেন তার প্রধান দায়িত্বে থাকবেন আখুন্দজাদা। তাঁর ঘনিষ্ঠ এক তালিবান নেতা ওয়াহিদুল্লা হাশিমি অন্তত সেই রকম ইঙ্গিতই দিয়েছেন।

আখুন্দজাদার পরই রয়েছেন তিন তালিবান নেতা,  যারা হলেন মোল্লা ওমরের ছেলে মৌলবি ইয়াকুব, সিরাজুদ্দিন হক্কানি এবং আব্দুল গনি বরাদর। এখন আখুন্দজাদা যদি প্রেসিডেণ্ট  হতে অরাজি হন তাহলে পূর্বোক্ত তিনজনের মধ্যে কেউ দায়িত্ব পেতে পারেন। তবে মনে করা হচ্ছে চলতি সপ্তাহের শেষেই আফগানিস্তানের পুরো প্রশাসনিক কাঠামোটি পরিষ্কার হয়ে যাবে।

সর্বধিক পাঠিত

কর্নাটকে নিষিদ্ধ হচ্ছে ১৬ বছরের নিচে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার: বাজেটে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গণতন্ত্র নয় আফগানিস্তানে চালু হতে পারে পরিষদীয় প্রশাসনিক কাঠামো,ইঙ্গিত দিলেন শীর্ষ তালিবান নেতা

আপডেট : ১৯ অগাস্ট ২০২১, বৃহস্পতিবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ গণতান্ত্রিক পদ্ধতি নয় পরিষদীয় ব্যবস্থাই কায়েম হবে আফগানিস্থানে। এমনটাই ইঙ্গিত দিলেন তালিবান শীর্ষ নেতা হাইবাতুল্লা আখুন্দজাদা।

আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা সূত্রের খবর আখুন্দজাদা বলেছেন ” গণতান্ত্রিক পদ্ধতি একেবারেই নয়, কারণ আমাদের দেশে সেই ভিত্তি নেই”। তবে তিনি আরও বলেন আফগানিস্তানে কি ধরনের রাজনৈতিক ব্যবস্থা জারি হতে পারে তা সকলের কাছেই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। শরিয়া আইন এবং সেটাই হবে শেষ কথা।

তবে গণতান্ত্রিক বা পরিষদীয় কাঠামো যাই চালু হোক না কেন তার প্রধান দায়িত্বে থাকবেন আখুন্দজাদা। তাঁর ঘনিষ্ঠ এক তালিবান নেতা ওয়াহিদুল্লা হাশিমি অন্তত সেই রকম ইঙ্গিতই দিয়েছেন।

আখুন্দজাদার পরই রয়েছেন তিন তালিবান নেতা,  যারা হলেন মোল্লা ওমরের ছেলে মৌলবি ইয়াকুব, সিরাজুদ্দিন হক্কানি এবং আব্দুল গনি বরাদর। এখন আখুন্দজাদা যদি প্রেসিডেণ্ট  হতে অরাজি হন তাহলে পূর্বোক্ত তিনজনের মধ্যে কেউ দায়িত্ব পেতে পারেন। তবে মনে করা হচ্ছে চলতি সপ্তাহের শেষেই আফগানিস্তানের পুরো প্রশাসনিক কাঠামোটি পরিষ্কার হয়ে যাবে।