পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ অসম সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় রাজি হলেও বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আলফা স্বাধী-এর শর্তে ভেস্তে গেল সবই। অসমের সার্বভৌমত্বের দাবি থেকে একচুলও সরতে রাজি নন আলফার মুখ্য সেনাধ্যক্ষ পরেশ বরুয়া।
আরও পড়ুন:
পক্ষান্তরে মুখ্যমন্ত্রী বিশ্বশর্মা বলেছেন, সরকার আলফার দাবি মতো 'সার্বভৌমত্ব’ নিয়ে কোনও আলোচনাই করবে না। শান্তি আলোচনা হতে পারে সার্বভৌমত্বকে বাদ দিয়ে এবং ভারতীয় সংবিধানের গণ্ডির মধ্যে থেকে।
আরও পড়ুন:
অসমে হিমন্ত বিশ্ব শর্মার নেতৃত্বে বিজেপির দ্বিতীয় সরকার গঠন হওয়ার পর আলফার সঙ্গে শান্তি আলোচনার এক রূপালি রেখা দেখা দিয়েছিল।
এখন সেই সিলভার লাইন মিলিয়ে যাচ্ছে পরেশ বরুয়া সার্বভৌমত্ব নিয়ে অনড় থাকার কারণে। এর ফলে শান্তি আলোচনায় বিষয়টিও চলে যাচ্ছে হিমঘরে।আরও পড়ুন:
এদিকে আলফা বিদ্রোহী সংগঠন নিজে থেকে এক’দিন আগে এক তরফা যুদ্ধ বিরতির কথা ঘোষণা করেছিল। যুদ্ধ বিরতির সময়সীমা পুনরায় বাড়িয়ে আলফা স্বাধীন বিদ্রোহী সংগঠন শান্তি আলোচনার জন্য এক সুস্থ বাতাবরণ সৃষ্টি করায় বেশ খানিকটা আশ্বস্ত হয়েছিলেন অসমবাসী। আলফার একটি গোষ্ঠীর সঙ্গে কেন্দ্র সরকার আলোচনা অনেকটাই এগিয়ে নিতে শুরু করেছিল।
কিন্তু পরেশ বরুয়ার সার্বভৌমত্ব নিয়ে অনড় মনোভাবে সবটাই এখন ভেস্তে যেতে বসেছে। কারণ পরেশ বরুয়া ছাড়া এই শান্তি আলোচনার বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। ফলে আলফা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে আশার আলো নিভতে শুরু করেছে। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, একটি জাতীয় স্তরের সংবাদপত্রে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়, যাতে লেখা হয়েছে আলফা স্বাধীনের মূল দাবি সার্বভৌমত্ব নিয়ে শান্তি আলোচনায় রাজি অসমের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হলেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা।আরও পড়ুন:
এই সংবাদ সত্য নয় বলে আখ্যা দিয়ে হিমন্ত ট্যুইট করেছেন, 'কোনও মুখ্যমন্ত্রী ভারতের সার্বভৌমত্বের বিষয় নিয়ে কারও সঙ্গে আলোচনা করতে পারে না। কারণ সার্বভৌমত্ব হচ্ছে একটি আপসহীন বিষয়।’