একসময় রোহিঙ্গাদের সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল মালয়েশিয়া। ২০১৭ সালে দেশটির তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক বলেছিলেন, রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা দেওয়া জরুরি, কারণ তাঁদের জীবনও মূল্যবান। সেই সময় মিয়ানমারের সহিংসতা থেকে পালিয়ে বহু রোহিঙ্গা মালয়েশিয়ায় আশ্রয় নেন। বাংলাদেশে আশ্রিত অনেক রোহিঙ্গাও পরে সমুদ্রপথে দেশটিতে পৌঁছান।

তবে প্রায় এক দশক পর সেই পরিস্থিতি বদলে গেছে। মালয়েশিয়ায় রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে বাড়ছে সামাজিক ও রাজনৈতিক বৈরিতা।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা শিশুরা সরকারি স্কুলে পড়ার সুযোগ না পাওয়ায় কমিউনিটি পরিচালিত অনানুষ্ঠানিক স্কুলে পড়াশোনা করে। সম্প্রতি এমন একটি স্কুলে পুলিশ অভিযান চালিয়েছে।
কোথাও আবার স্থানীয়দের চাপের মুখে স্কুল বন্ধও হয়েছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, মালয়েশিয়ায় এক লাখ ২৬ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা রয়েছেন। তবে দেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে শরণার্থীদের স্বীকৃতি না দেওয়ায় শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও আবাসনের অধিকার থেকেও তাঁরা বঞ্চিত।
এর মধ্যেই স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করেছে মালয়েশিয়া। আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর প্রথম দফায় এক হাজার ৫০০ রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে নিরাপত্তার আশায় মালয়েশিয়ায় আসা রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।