২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এসআইআর: মাধ্যমিকের অ্যাডমিট ও আধার কার্ড গ্রহণের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের বহুল চর্চিত এসআইআর (SIR) মামলায় সাধারণ মানুষের দুশ্চিন্তা লাঘব করে এক ঐতিহাসিক নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। ভোটার তালিকায় স্বচ্ছতা আনার এই প্রক্রিয়ায় এখন থেকে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড এবং আধার কার্ডকেও বৈধ নথি হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ এই গুরুত্বপূর্ণ রায় ঘোষণা করে। আদালত বলেছে, মাধ্যমিকের পাস সার্টিফিকেটের পাশাপাশি এখন থেকে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকেও বয়স এবং অভিভাবকত্বের (পিতা/মাতার নাম) প্রমাণপত্র হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।

আদালতের নির্দেশে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যে সমস্ত নথিপত্র আবেদনকারীরা জমা দিয়েছেন, সেগুলিই চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য হবে। এই জমা পড়া নথিপত্রগুলি নিয়ে ইআরও (ERO) এবং এইআরও (AERO)-দের আগামীকালের (বুধবার) বিকেল ৫টার মধ্যে প্রিসাইডিং অফিসারের হাতে হস্তান্তর করতে হবে। অর্থাৎ, জমা পড়া নথির সত্যতা যাচাইয়ের কাজ এখন দ্রুতগতিতে এগোবে।

আরও পড়ুন: এসআইআর: নথির অসঙ্গতি কাটাতে ওডিশা-ঝাড়খণ্ড থেকে বিচারক নিয়োগের নির্দেশ শীর্ষ আদালতের

এদিনের শুনানিতে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে গ্রহণযোগ্য নথি হিসেবে মানতে আপত্তি জানান নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী ডিএস নাইডু। কমিশনের যুক্তি ছিল, কেবল পাস সার্টিফিকেটই প্রমাণ হিসেবে গণ্য হওয়া উচিত। এর প্রেক্ষিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি বলেন, “মাধ্যমিকের পাস সার্টিফিকেটে সাধারণত জন্মের তারিখ এবং বাবার নাম উল্লেখ থাকে না। কিন্তু অ্যাডমিট কার্ডে এই তথ্যগুলি স্পষ্ট থাকে। বাংলার বিচারকরা এই নথির গুরুত্ব সম্পর্কে পূর্ণ অবগত, তাই এটি গ্রহণ করার কথা বলা হয়েছে।” বিচারপতিদের এই পর্যবেক্ষণের পর কমিশনের আপত্তির জায়গাটি আর ধোপে টেকেনি। ফলে এখন থেকে অ্যাডমিট কার্ড দিয়েই বয়স ও অভিভাবকত্ব প্রমাণ করা যাবে।

আরও পড়ুন: এসআইআর: তামিলনাড়ুতে বাদ পড়ল ৭৪ লক্ষের বেশি নাম

আরও পড়ুন: বিচারকদের নজরদারিতে এসআইআর: আজ থেকেই শুরু চূড়ান্ত নথি যাচাইয়ের কাজ
প্রতিবেদক

কিবরিয়া আনসারি

Kibria obtained a master's degree in journalism from Aliah University. He has been in journalism since 2018, gaining work experience in multiple organizations. Focused and sincere about his work, Kibria is currently employed at the desk of Purber Kalom.
সর্বধিক পাঠিত

বিয়ের আসরে রক্তপাত: প্রেমিকের গুলিতে ঝাঁঝরা কনে, বরের সামনেই চলল তাণ্ডব

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

এসআইআর: মাধ্যমিকের অ্যাডমিট ও আধার কার্ড গ্রহণের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের বহুল চর্চিত এসআইআর (SIR) মামলায় সাধারণ মানুষের দুশ্চিন্তা লাঘব করে এক ঐতিহাসিক নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। ভোটার তালিকায় স্বচ্ছতা আনার এই প্রক্রিয়ায় এখন থেকে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড এবং আধার কার্ডকেও বৈধ নথি হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ এই গুরুত্বপূর্ণ রায় ঘোষণা করে। আদালত বলেছে, মাধ্যমিকের পাস সার্টিফিকেটের পাশাপাশি এখন থেকে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকেও বয়স এবং অভিভাবকত্বের (পিতা/মাতার নাম) প্রমাণপত্র হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।

আদালতের নির্দেশে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যে সমস্ত নথিপত্র আবেদনকারীরা জমা দিয়েছেন, সেগুলিই চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য হবে। এই জমা পড়া নথিপত্রগুলি নিয়ে ইআরও (ERO) এবং এইআরও (AERO)-দের আগামীকালের (বুধবার) বিকেল ৫টার মধ্যে প্রিসাইডিং অফিসারের হাতে হস্তান্তর করতে হবে। অর্থাৎ, জমা পড়া নথির সত্যতা যাচাইয়ের কাজ এখন দ্রুতগতিতে এগোবে।

আরও পড়ুন: এসআইআর: নথির অসঙ্গতি কাটাতে ওডিশা-ঝাড়খণ্ড থেকে বিচারক নিয়োগের নির্দেশ শীর্ষ আদালতের

এদিনের শুনানিতে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে গ্রহণযোগ্য নথি হিসেবে মানতে আপত্তি জানান নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী ডিএস নাইডু। কমিশনের যুক্তি ছিল, কেবল পাস সার্টিফিকেটই প্রমাণ হিসেবে গণ্য হওয়া উচিত। এর প্রেক্ষিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি বলেন, “মাধ্যমিকের পাস সার্টিফিকেটে সাধারণত জন্মের তারিখ এবং বাবার নাম উল্লেখ থাকে না। কিন্তু অ্যাডমিট কার্ডে এই তথ্যগুলি স্পষ্ট থাকে। বাংলার বিচারকরা এই নথির গুরুত্ব সম্পর্কে পূর্ণ অবগত, তাই এটি গ্রহণ করার কথা বলা হয়েছে।” বিচারপতিদের এই পর্যবেক্ষণের পর কমিশনের আপত্তির জায়গাটি আর ধোপে টেকেনি। ফলে এখন থেকে অ্যাডমিট কার্ড দিয়েই বয়স ও অভিভাবকত্ব প্রমাণ করা যাবে।

আরও পড়ুন: এসআইআর: তামিলনাড়ুতে বাদ পড়ল ৭৪ লক্ষের বেশি নাম

আরও পড়ুন: বিচারকদের নজরদারিতে এসআইআর: আজ থেকেই শুরু চূড়ান্ত নথি যাচাইয়ের কাজ