পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: নির্বাচনী তালিকা ব্যবস্থাপনাকে আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে ভারতের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (CAG)-এর অধীনে প্রতি বছর তৃতীয় পক্ষ দ্বারা ভোটার তালিকার নিরীক্ষা করার প্রস্তাব দিল তেলুগু দেশম পার্টি বা টিডিপি। দলটি জানিয়েছে, এর মাধ্যমে অনিয়ম ও গড়বড় চিহ্নিত করা সহজ হবে।
আরও পড়ুন:
টিডিপি-র সংসদীয় দলের নেতা লাভু কৃষ্ণ দেবরায়ালু দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার গ্যনেশ কুমারকে চিঠি দিয়ে এই প্রস্তাব দেন। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অন্ধ্রপ্রদেশে ভোটার তালিকা বিশেষ নিবিড় পর্যালোচনা (Special Intensive Revision) প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করা উচিত।
আরও পড়ুন:
টিডিপি বলেছে, কোনো ভোটারকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তিযুক্ত আদেশ, যথাযথ নোটিশ এবং উত্তর দেওয়ার সুযোগ থাকা আবশ্যক।
আরও পড়ুন:
দলটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভোটারদের ডুপ্লিকেশন, স্থানান্তর ও মৃত ভোটার সনাক্তকরণের ব্যবস্থা চালুরও সুপারিশ করেছে, যাতে তাৎক্ষণিকভাবে এই ধরনের তথ্য চিহ্নিত করা যায়।
আরও পড়ুন:
নির্বাচন কমিশনকে সময়সীমা নির্ধারিত অভিযোগ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে দলটি বলেছে, ব্লক-স্তরের অফিসার (BLO) ও নির্বাচনী নিবন্ধন অফিসার (ERO)-দের মাধ্যমে ভুলভাবে বাদ পড়া নামগুলো দ্রুত সংশোধনের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
আরও পড়ুন:
ডুপ্লিকেট ভোটার সংশোধনের জন্য আধার ব্যবহার করার পক্ষে মত দিয়েছে দলটি।
এছাড়াও, তারা বলেছে, জাতীয়ভাবে অনন্য ও পুনরাবৃত্তিহীন এপিক নম্বর চালু করা হোক এবং আধার ভিত্তিক যাচাইকরণ চালু করা হোক—তবে এর জন্য কঠোর তথ্য গোপনীয়তা বজায় রাখতে হবে। এছাড়া কালি দিয়ে আঙুলে দাগ দেওয়ার প্রচলিত পদ্ধতির বদলে বায়োমেট্রিক যাচাইকরণ চালুর পক্ষেও মত দিয়েছে দলটি।আরও পড়ুন:
জেলায় জেলায় ভোটার তালিকায় সংযোজন ও বাদ দেওয়ার কারণ-সহ তথ্য নির্বাচন কমিশনের পোর্টালে প্রকাশ করার প্রস্তাব দিয়েছে দলটি।
আরও পড়ুন:
এছাড়া ভোটার অভিযোগ ও তার নিষ্পত্তির তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশের জন্য বাস্তব-সময়ের একটি ড্যাশবোর্ড চালুরও প্রস্তাব দিয়েছে টিডিপি।
আরও পড়ুন:
শেষে দলটি বলেছে, ERO ও জেলা নির্বাচন অফিসারদের (DEO) দায়িত্বে অবহেলা করলে আইনানুগ সময়সীমা ও জরিমানার ব্যবস্থা থাকতে হবে।