‘যোগ্য’ শিক্ষকদের চাকরি আপাতত বহাল রাখার সময়সীমা বাড়াল সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ৩১ মে, ২০২৭ পর্যন্ত তাঁদের চাকরি বহাল থাকবে। তবে এই সময়সীমার মধ্যেই নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে রাজ্য সরকারকে। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এর পর আর কোনও অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে না।
আরও পড়ুন:
যোগ্য শিক্ষকদের চাকরি বহাল রাখার সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার এবং স্কুল সার্ভিস কমিশন।
যোগ্য শিক্ষকদের পক্ষ থেকেও একই বিষয়ে আবেদন জানানো হয়েছিল। সোমবার বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি সচিন সচদেবার বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। শুনানিতে রাজ্য ও এসএসসির আবেদন মঞ্জুর করে আদালত।আরও পড়ুন:
এর আগে পড়ুয়াদের স্বার্থের কথা মাথায় রেখে ‘যোগ্য’ শিক্ষকদের ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত শিক্ষকতা চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। একই সঙ্গে ওই সময়ের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হওয়ায় পরে সেই মেয়াদ বাড়িয়ে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত করা হয়। এই সময়ের মধ্যে শূন্যপদে নতুন করে নিয়োগের নির্দেশও দিয়েছিল আদালত।আরও পড়ুন:
তৃণমূল আমলে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে রাজ্যজুড়ে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল। কলকাতা হাই কোর্টের পর মামলাটি গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। দীর্ঘ শুনানির পর প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট এসএসসির ২০১৬ সালের গোটা নিয়োগ প্যানেল বাতিল করে দেয়।
এর ফলে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি চলে যায়।আরও পড়ুন:
এর পর পড়ুয়াদের শিক্ষাব্যবস্থা যাতে ব্যাহত না হয়, সেই বিষয়টি বিবেচনা করে যোগ্য শিক্ষকদের সাময়িকভাবে চাকরিতে বহাল থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন নিয়োগ সম্পূর্ণ না হওয়ায় ফের সময় চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার ও স্কুল সার্ভিস কমিশন।
আরও পড়ুন:
সোমবারের শুনানিতে আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করলেও স্পষ্ট করে দিয়েছে, ৩১ মে, ২০২৭-এর পর আর কোনও সময় দেওয়া হবে না। ওই সময়সীমার মধ্যেই গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে রাজ্যকে।