পুবের কলম প্রতিবেদক: কয়েকদিন ধরেই বৃষ্টিতে ভাসছে কলকাতার বিভিন্ন এলাকা। প্রবল বৃষ্টিতে জল জমছে রাস্তায়। জমা জলের জন্য নিত্যযাত্রীদের পড়তে হচ্ছে অসুবিধায়। এদিকে এই জলজমা নিয়ে অভিযোগও জমা পড়ছে কলকাতা পুরসভায়। আর শহরে জল জমা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তিনি নিকাশি বিভাগকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
এদিকে শহরের জল নিকাশি ব্যবস্থা নিয়ে মেয়র ফিরহাদ হাকিম কড়া হতেই কেউ কেউ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। শনিবার ইস্তফা দেবেন বলে জানিয়েছিলেন মেয়র পারিষদ (নিকাশি) তারক সিং।
তারক সিং জানিয়েছেন, আমার সঙ্গে কারও কোনও বিবাদ নেই।আরও পড়ুন:
সূত্রের খবর, এদিন ১২৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সুজয় বিশ্বাস মেয়রকে ফোন করেছিলেন । তাঁর অভিযোগ, ওই এলাকার রাস্তায় জল জমে রয়েছে দীর্ঘদিন থেকে। সমস্যা সমাধানের জন্য ঘুরেছেন প্রশাসনের দরজায় দরজায়। কিন্তু সুরাহা হয়নি। শেষে তিনি যোগাযোগ করেন মেয়রের সঙ্গে। শুধু ১২৫ নং ওয়াড নয়, বৃষ্টি হলে একই ছবি ধরা পড়ে শহরের বেশির ভাগ জায়গায়। বহু এলাকায় বৃষ্টি হলে সহজে জল নামতে চায় না।
গতকালই মধ্য কলকাতার কিছু অংশে ভারী বৃষ্টি হওয়ায় জল জমে যায়। এদিকে ভারি বৃষ্টি হলেই কলকাতার ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের রডন স্ট্রিটের কিছু অংশে জল জমে যাচ্ছে। এতে ভোগান্তি হচ্ছে নিত্যযাত্রীদের। এই বিষয়ে ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সুস্মিতা ভট্টাচার্যকে ফোন করা হলে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।আরও পড়ুন:
অভিযোগকারীর কথা শুনে মেয়র বলেন, ও আপনাদের রাস্তাটা নিচু। তবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নিকাশী বিভাগকে তৎপর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম।
আরও পড়ুন:
মেয়র ফিরহাদ হাকিম ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘সরকারি সিস্টেমই খারাপ, ফুটবলের মতো শুধু একে অপরকে পাস করে।’ তবে এখানেই শেষ নয়, মেয়র পারিষদ তারক সিংহের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম।
এরপরেই শুক্রবার তারক সিংহ জানিয়েছিলেন, পদত্যাগ করব।’আরও পড়ুন:
তবে সেই আগামীকালটা আসলে আজই। যদিও ২৪ ঘণ্টায় ছবিটা বদলেছে। জমা জলের নয়। মেয়রের সঙ্গে মেয়র পারিষদের অভিমানের। তবে শনিবার মেয়রের ফোনে হয়েছে মানভঞ্জন, পদত্যাগ করছেন না তারক সিংহ। অপরদিকে, ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘তারক সিংহ আমার টিমের সদস্য, আমি ওনাকে কিছু বলিনি। জমা জলের সমস্যা মেটাতে আপ্রাণ চেষ্টা করছেন মেয়র পারিষদ নিকাশি। অনেক সময়ে কর্মীরা ভুল রিপোর্ট দেন বলে দাবি করেছেন মেয়র।